প্রথম দুই ওয়ানডে হেরে সিরিজ হারের শঙ্কায় ছিল ইংল্যান্ড। তৃতীয় ওয়ানডেতে অবশ্য ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক হ্যারি ব্রুকের কল্যাণে সিরিজে টিকে রইলো তারা। বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে ডিএলএস নিয়মে অজিদের ৪৬ রানে হারিয়ে ৫ম্যাচের সিরিজ ২-১ করেছে স্বাগতিক দল।
চেস্টার লি স্ট্রিটে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করেছিল অস্ট্রেলিয়া। ৪৭ রানের মধ্যে ম্যাথু শর্ট (১৪) ও মিচেল মার্শ (২৪) কে হারিয়ে চাপে পড়লে তৃতৃীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন স্মিথ-ক্যামেরন গ্রিন। ৮৪ রান যোগ করেন তারা। গ্রিন ৪২ রানে ফিরলে ভাঙে জুটি। স্মিথ অবশ্য ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে ফিফটি তুলে নেন। পরে ৬০ রানে থেমে যেতে হয়েছে তাকে। তার পর ইনিংসটা টেনে নিয়েছেন অ্যালেক্স ক্যারি। গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ২৫ বলে ৩০ রান করে ফিরলে শেষ দিকে টর্নেডো ইনিংসে ভূমিকা রাখেন অ্যারন হার্ডি। ২৬ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪৪ রানে তিনি শেষ ওভারে আউট হয়েছেন। ক্যারি অবশ্য ৬৫ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৭৭ রানে অপরাজিত থেকেছেন। তাতে ৭ উইকেটে ৩০৪ রানের স্কোর পায় অজি দল।
ইংল্যান্ডের হয়ে ৬৭ রানে দুটি উইকেট নেন জোফরা আর্চার। একটি করে নেন ব্রাইডন কার্স, জ্যাকব বেথেলে, উইল জ্যাকস ও লিয়াম লিভিংস্টোন।
জবাবে ১১ রানে দুই উইকেট হারিয়ে শুরুতেই ইংলিশরা শঙ্কাতে পড়ে গিয়েছিল। অজিরা ভাবতে শুরু করেছিল টানা ১৫তম ওয়ানডে জয় ও সিরিজ বুঝি তারা জিততে চলেছে! কিন্তু তাদের হতাশ করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন হ্যারি ব্রুক ও উইল জ্যাকস। অসাধারণ এক পার্টনারশিপে ১৫৬ রান যোগ করেন তারা। এই জুটি হয়ে দাঁড়ায় ভাগ্য নির্ধারকও। জ্যাক ৮২ বলে ৮৪ রানে ফিরলে ভাঙে জুটি। তার পর ঝড়ো ব্যাটিংয়ে অগ্রযাত্রা ধরে রাখেন লিয়াম লিভিংস্টোন। ব্রুকও সেঞ্চুরি তুলে নেন। ৩৭.৪ ওভারে স্কোর যখন ৪ উইকেটে ২৫৪, তখন ৭৪ বলে ৫১ রান প্রয়োজন ছিল ইংল্যান্ডের। ঠিক ওই সময় বৃষ্টি নামলে পরে বৃষ্টি আইনে ম্যাচ জয়ী নির্বাচিত হয়েছে স্বাগতিক দল। লিভিংস্টোন ২০ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৩ রানে অপরাজিত ছিলেন। ব্রুক ৯৪ বলে ১৩টি চার ও ২ ছক্কায় অপরাজিত ছিলেন ১১০ রানে।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৪৫রানে ও ৬৩ রানে দুটি করে উইকেট নেন যথাক্রমে ক্যামেরন গ্রিন ও মিচেল স্টার্ক।