দর্শকের ভোগান্তি দূর করতে বিসিবির নয়া উদ্যোগ

আজকাল সবকিছু ডিজিটাল হলেও ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে ক্রিকেটপ্রেমীদের পুরানো পদ্ধতিতেই টিকিট কাটতে হচ্ছিল। বেশ আগে অনলাইন প্লাটফর্ম ও ব্যাংকের মাধ্যমে টিকিট বিক্রয় করা হলেও এখন বেশিরভাগ টিকিটই লাইনে দাঁড়িয়ে কাটতে হয়। মাঝে মধ্যে অনলাইনে কিছু টিকিট বিক্রয় করলেও পরিমাণ খুবই নগণ্য। তবে এখন থেকে ম্যাচের প্রায় ৮০ শতাংশ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি ফারুক আহমেদ।

মিরপুরে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে ফারুক বলেছেন, ‘আগে খুব অল্প পরিমাণে অনলাইনে টিকিট পাওয়া যেত। এখন আমরা এটাকে ৭০-৮০ শতাংশই ডিজিটালাইজড করবো, যতটা আমাদের জন্য উপযুক্ত হয়। প্রত্যেকটা টিকেটের হিসাব থাকবে আমাদের কাছে।’

যারা অনলাইনে টিকিট কেনেন, তাদের ভোগান্তিও কম নয়। অনলাইনে কাটা টিকেটর কপি দেখিয়ে ম্যাচ শুরুর আগে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের কাগুজে টিকিট সংগ্রহ করতে হয়। দর্শকদের কথা চিন্তা করে টিকিটকে পুরো ডিজিটাল করার চিন্তা ভাবনা ক্রিকেট বোর্ডের। এ ব্যাপারে ফারুক আহমেদ বলেছেন, ‘আমাদের যে ম্যাচগুলো হয়, কাগজের টিকেটে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। আমরা টিকিটের ব্যাপারটা ডিজিটাল করতে যাচ্ছি। আন্তর্জাতিক ম্যাচ, বিপিএল সবকিছুতে এটা বোর্ডের রাজস্ব আয়ের ভালো উৎস হতে পারে বলে মনে করছেন পরিচালকরা।’

টিকিট নিয়ে ফারুক আরও বলেছেন, ‘সৌজন্যমূলক কিছু টিকিট আমাদের দিতে হয়। কিছু সংস্থা কাজ করে এ ব্যাপারে। তাদেরও কিছু দাবি থাকে। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়,  র‌্যাব, পুলিশ, যারা যারা থাকেন, তাদের কথা চিন্তা করেছি। সৌজন্যমূলক টিকিটগুলো শনাক্ত করতে কিউআর কোড দেওয়া থাকবে। কোনটা সৌজন্যমূলক, কোনটা রাজস্ব টিকিট, সেটা যেন বুঝতে পারি, সেই ব্যবস্থা আমরা নিতে যাচ্ছি।’

আগামী মাসের মাঝামাঝি বাংলাদেশ সফরে আসবে দক্ষিণ আফ্রিকা। ওই সিরিজ দিয়েই টিকিট ডিজিটালাইজেশনের চিন্তাভাবনা ফারুকের, ‘সামনে দুটি টেস্ট ম্যাচ আছে। পাইলট প্রজেক্ট হবে এই সিরিজ। বেশি টিকিট করা লাগবে না। টেস্টে বেশি দর্শক হয় না। টিকিট ব্যবস্থাপনা কেমন হতে পারে, সেটা নিয়ে আলোচনা করবো।’