কয়েকদিন পরই শুরু হচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তার আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শনিবার রাতে ওয়ার্মআপ ম্যাচে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। কিন্তু সেই ‘পুরানো রোগেই’ বিধ্বস্ত হলো নিগার সুলতানার দল। ব্যাটিং ব্যর্থতার খেসারত দিয়ে লঙ্কানদের বিপক্ষে ৩৩ রানে হার মানে বাংলাদেশের মেয়েরা। আগে ব্যাটিং করে শ্রীলঙ্কা নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৩ রান করে। মাঝারি মানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাংলাদেশ দল ১১০ রানে থেমে যায়।
আইসিসির একাডেমিত মাঠে টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিলেন অধিনায়ক নিগার। বাংলাদেশের বোলারদের খুব একটা পাত্তা না দিয়ে লঙ্কানরা ১৪৩ রান করে। তুলনামূলক সহজ লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৪ ওভার পর্যন্ত উইকেট আটকে রাখতে পারলেও পঞ্চম ওভারে ওপেনার দিলারা আক্তার সাজঘরে ফেরেন। ওই শুরু, এরপর একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশের মেয়েরা। ৭০ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে একশর নিচে অলআউটের শঙ্কায় ছিল বাংলাদেশ। তবে অধিনায়ক নিগার ও দিশা বিশ্বাসের দৃঢ়তায় একশ পেরিয়ে যেতে পারে তারা।
নবম উইকেটে নিগার ও দিশা মিলে ৪০ রানের জুটি গড়েন। ইনিংসের শেষ বলে দিশা আউট হতেই বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১১০ রানে। ১৬ বলে ৪ চারে ২৫ রানের ইনিংস খেলেন নবীন এই পেসার। অধিনায়ক নিগার ৩০ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৩৮ বলে ১ চারে নিজের ইনিংসটি সাজান উইকেট কিপার এই ব্যাটার।
লঙ্কান বোলারদের মধ্যে সুগান্দিকা কুমারী সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া ইনোশি ফার্নান্দো নেন দুটি উইকেট।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে হাসিনি পেরেরা ৪৩ এবং নীলাক্ষী সিলভার ৩০ রানে ভর করে চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ করে লঙ্কানরা। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে কেউই সেভাবে প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। স্বর্ণা আক্তার সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নিয়েছেন। একটি করে উইকেট নেন জাহানারা আক্তার, রাবেয়া খান, রিতু মনি, নাহিদা আক্তার, সুলতানা খাতুন।
নিজেদের ঝালাই করে নিতে বাংলাদেশ দল আরও একটি ওয়ার্মআপ ম্যাচ খেলবে। আগামী সোমবার পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে তারা। এরপর ৩ অক্টোবর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ শুরু হবে।