বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশের পাকিস্তান বধ

আগামী ৩ অক্টোবর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মিশন। তার তিন দিন আগে আত্মবিশ্বাসের রসদ পেয়ে গেলো নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। সোমবার দুবাইয়ে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে পাকিস্তানকে ২৩ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

আগে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ ৭ উইকেটে ১৪০ রান করেছিল। তারপর বোলারদের নৈপুণ্যে তারা পাকিস্তানকে ১১৭ রানে অলআউট করে। ১৮.৪ ওভারে শেষ হয় প্রতিপক্ষের ইনিংস।

পাকিস্তানকে লক্ষ্য দিয়ে স্বস্তিতে ছিল না বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওভারে মুনিবা আলীর কাছে দুটি চার হজম করেন নাহিদা আক্তার। ওই ওভারেই পাকিস্তানি ব্যাটারকে থামান তিনি।

তারপর ফাহিমা খাতুন ও মারুফা আক্তারকে নিয়ে পাওয়ার প্লেতে পাকিস্তানের রানের লাগাম টেনে ধরেন নাহিদা। প্রতিপক্ষের নির্ভরযোগ্য ব্যাটার সিদ্রা আমিনকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে স্বস্তি এনে দেন ফাহিমা। পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেটে ৩৮ রান করে পাকিস্তান।

বাংলাদেশের বোলাররা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে পাকিস্তানকে চাপে রেখেছিল ৮৭ রানে ছয় উইকেট নিয়ে। এরপর ওমাইমা সোহেল ও ফাতিমা সানার জুটি বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ১৮তম ওভারে ব্রেকথ্রু আনেন রাবেয়া খান। ফাতিমা ও ওমাইমাকে ওই ওভারে প্যাভিলিয়নে পাঠান তিনি। পরের ওভারে মারুফা শেষ দুটি উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন।

মারুফা, ফাহিমা, রাবেয়া ও স্বর্ণা দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।

বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জিং স্কোর সংগ্রহে দারুণ শুরু এনে দেয় দিলারা আক্তার ও সাথী রানির জুটি। ওপেনিংয়ে দুজনে মিলে সাত চারে ৩.৩ ওভারে ৩৩ রান তুলে বিচ্ছিন্ন হন। তাতে দিলারার অবদান ছিল কেবল ১০ রান। পরের ওভারে আরেক ওপেনার সাথী ১৬ বলে পাঁচ চারে ২৩ রান করে আউট হন।   

পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশ করে ২ উইকেটে ৪২ রান। সোবহানা মোস্তারি ও নিগারের সতর্ক ব্যাটিংয়ে তারা রানের চাকা সচল রেখেছিল। ১১তম ওভারে সোবহানা (১৫) থামেন।

৯৪ রানের মধ্যে নিগার (১৮) ও তাজ নেহার (১৭) উইকেট হারালে হাল ধরেন স্বর্ণা। রিতু মনিকে নিয়ে ৩৬ রানের জুটি গড়েন তিনি। তার ব্যাট থেকে আসে ১৭ বলে ২৮ রান, ইনিংসে ছিল ৩ চার। রিতু ১৪ রান করে অবদান রাখেন।