বাংলাদেশের স্থানীয় কোচরা খুব একটা সুযোগ পান না জাতীয় দলে। অথচ অন্য ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোতে নিজ নিজ দেশের স্থানীয় কোচদের জাতীয় দলে নানা ভূমিকাতে দেখা যায়। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ ছাড়া বাকি দেশগুলোতে প্রধান কোচের দায়িত্বে প্রায়ই স্থানীয় কোচদের দেখা যায়। পাকিস্তানে এখন না থাকলেও এক সময় কোচের ভূমিকাতে ছিলেন স্থানীয়রাই। সেখানে বাংলদেশে প্রধান কোচ তো দূরে থাক, জাতীয় দলের কোনও ভূমিকাতেই দেখা যায় না স্থানীয় কোচদের। তামিম ইকবালের মতে, বাংলাদেশে এমন কিছু হওয়া বলতে গেলে অসম্ভব। তার মতে, স্থানীয় কোচদের কেউই প্রধান কোচ হওয়ার জন্য উপযুক্ত নয়।
ভারতে চলতি সিরিজে ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করছেন তামিম। সেখানেই স্পোর্টস স্টারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বাংলাদেশের কেউ এখন পর্যন্ত প্রধান কোচ হওয়ার উপযুক্ত নন। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না, বাংলাদেশের কারও প্রধান কোচ হওয়ার সামর্থ্য আছে। বর্তমানে দুই বা তিন জন আছেন, যারা সহকারী কোচ হওয়ার উপযুক্ত। তবে আমার মনে হয় না, কেউ প্রধান কোচ হওয়ার মতো উপযুক্ত।’
তবে বাংলাদেশের স্থানীয় কোচরা কীভাবে প্রধান কোচ হয়ে উঠতে পারেন, সেই উপায়ও বাতলে দিলেন তামিম, ‘বাংলাদেশের কোচিং স্টাফে ৭০:৩০ অনুপাত থাকা উচিত। যেখানে একজন বিদেশি প্রধান কোচ থাকবেন। বাকি দুজন বিদেশি কোচ। বাকি ৭০ শতাংশ সহকারী কোচ বাংলাদেশের হতে হবে। এই প্রক্রিয়া স্থানীয় কোচদের দিকনির্দেশনা দিতে সাহায্য করবে। যাতে তারা (স্থানীয়) প্রধান কোচ হিসেবে গড়ে উঠতে পারেন।’
২০২৩ সালে মার্চে হাথুরুসিংহের সঙ্গে দ্বিতীয় মেয়াদে চুক্তি করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যার মেয়াদ শেষ হবে আগামী বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মধ্য দিয়ে। তবে গুঞ্জন আছে হাথুরুসিংহে মেয়াদ হয়তো শেষ করতে পারবেন না। এদিকে তামিম নতুন কোচ নিয়োগে বড় নামের পাশে ছুটতে মানা করলেন, ‘বড় নামের পেছনে ছোটা বন্ধ করা উচিত বাংলাদেশের। তারকা ক্রিকেটাররা কখনও দলের জন্য ভালো কোচ হতে পারে না। বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য কারা উপযুক্ত, সেটা তাদের বেছে নিতে হবে। প্রত্যেককেই কঠোর পরিশ্রমী হতে হবে। যাতে সেটা দলে একটা মাত্রা যোগ করে।’