‘পেসার একজন বা দুই জন হোক, সবার দায়িত্ব উইকেট নেওয়া’

ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপকে ধসিয়ে দিতে বড় অবদান রেখেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই পেসার কাগিসো রাবাদা ও উইয়ান মুল্ডার। অন্যদিকে বাংলাদেশ মাত্র একজন পেসারকে নিয়ে খেলছে। শুধু হাসান মাহমুদ বল হাতে ২২ গজে গতি তুলেছেন। তিন উইকেট নিয়ে নিজের কাজ ঠিকঠাক করেছেন, কিন্তু আরেকজন পেসার থাকলে ভালো হতো কি? হাসান সেই প্রশ্নের উত্তরে কৌশলী ছিলেন।

দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে এই পেসার বললেন, ‘আমার মনে হয় সবার দায়িত্ব একই, উইকেট নেওয়া, সেটা একটা পেসার বা দুইটা পেসার, যাই হোক। যেহেতু আমাকে নেওয়া হয়েছে, সেহেতু আমার দায়িত্ব হচ্ছে কীভাবে উইকেট টেকিং ডেলিভারি করা যায়। পার্টনারশিপ বোলিং করা যায়। আমার কাছে এটাই গুরুত্বপূর্ণ। ওটা চিন্তা করা গুরুত্বপূর্ণ নয় যে একটা পেসার খেললে ভালো হতো না দুইটা। এটা সম্পূর্ণ তাদের বিষয়। আমার মনে হয় তাইজুলও ভালো বল করে।’ 

বোলিংয়ে বাংলাদেশ প্রতিপক্ষের টপ থেকে মিডল অর্ডারে বড় ধাক্কা দিতে পারলেও শেষ দিকে ব্যর্থ হচ্ছে। বিশেষ করে ৫-৬ উইকেট নেওয়ার পর প্রতিপক্ষ ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। এই যেমন দক্ষিণ আফ্রিকা ১০৮ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর ১১৯ রানের জুটি গড়েছে। এনিয়ে হাসান বললেন, ‘আসলে টেস্টে এমনটা হয়, অহরহ হতে থাকে। আমরাও দেখি। আমাদেরও বিরক্তি চলে আসে। আমরা তখন চাই রান কম দিতে, বেসিকটা ধরে রাখতে হবে। আপনার চেষ্টা করতে হবে ব্যাটারকে প্রেসারে রাখা।দুই পাশ থেকে জুটি গড়ে বোলিং করা। এটাই আপনার হাতে আছে। এটাই আরকি!’ 

অথচ বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের অবস্থা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একই রকম বেহাল। হাসানের বক্তব্য, ‘আউট হওয়াটা তো আমাদের নিয়ন্ত্রণে নাই। আমার মনে হয় যে আরও মনোযোগ দিয়ে ব্যাট করা, সেট হয়ে ব্যাটিং করা।’

বোলিংয়ে বাংলাদেশ ভালো করলেও ব্যাট হাতে ব্যর্থতা নিয়ে এই পেসার বললেন, ‘খারাপ লাগাটা স্বাভাবিক। তবে মন থেকে বিশ্বাস করি আমরা আবার একটা সময় ঘুরে দাঁড়াবো। চিন্তা করি এর পরের দিন ভালো হবে। নিজেদের ব্যাটাররা ভালো খেলার আশা সবারই, স্কোর করবো, সবাই মিলে একটা রান দাঁড় করাবো। যেটাতে আমরা ম্যাচ জিততে পারবো। এভাবে চিন্তা করে আগানো উচিত।’