ইমার্জিং এশিয়া কাপ

শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে গ্রুপ পর্বেই বাংলাদেশের বিদায়

হংকংকে হারিয়ে ইমার্জিং এশিয়া কাপে শুভ সূচনা করেছিল বাংলাদেশ ‘এ’ দল। দ্বিতীয় ম্যাচে তারা আফগানিস্তান ‘এ’ দলের কাছে হারে। শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে জিতলে সেমিফাইনালে ওঠার সুযোগ ছিল। কিন্তু পারলো না। ১৯ রানে হেরে বিদায় নিলো আকবর আলীর দল। আফগানিস্তানের সঙ্গে সেমিফাইনালে উঠলো শ্রীলঙ্কা। তিন ম্যাচে দুটি দলের সমান চার পয়েন্ট, তবে রান রেটে এগিয়ে থেকে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন লঙ্কানরা। মাত্র ২ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থানে থেকে শেষ করলো টুর্নামেন্ট।

আল আমিরাতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শ্রীলঙ্কা শুরু থেকে আগ্রাসী ছিল। মাঝপথে ছন্দপতন হলেও চতুর্থ উইকেটে পাভান রত্নায়েকে ও সাহান আরাচিগের ৬৪ রানের জুটিতে চ্যালেঞ্জিং স্কোর করে। ৭ উইকেটে ১৬১ রান জমা পড়ে তাদের স্কোরবোর্ডে। সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন পাভান। সাহান করেন ৩০ রান।

তার আগে ইয়াশোধা লঙ্কা ও লাহিরু উদারার ৪০ রানের উদ্বোধনী জুটি শ্রীলঙ্কাকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেয়। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে ভেঙে যায় এই জুটি। বিনা উইকেটে ৪০ রান করা দলটি ৮১ রানে হারায় তৃতীয় উইকেট। ওপেনার লাহিরু ২১ বলে চারটি চার ও এক ছয়ে ৩৫ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন। 

ছোট ধাক্কা সামলে নিয়ে সাহান ও পাভান শ্রীলঙ্কাকে ভালো অবস্থানে নেন।

বাংলাদেশের পক্ষে রিপন মন্ডল ও রেজাউর রহমান রাজা সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট নেন।

লক্ষ্যে নেমে সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমনের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ শক্ত জবাব দেয়। মাত্র ২২ বলে ৪১ রান করে এই জুটি ভাঙে। ইমন ১০ বলে দুটি করে চার ও ছয়ে ২৪ রান করে আউট হন।

তারপর সাইফ গতি বাড়ান। কিন্তু পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে রিটায়ার্ড হার্ট হন তিনি। ২০ বলে ২৯ রান করেন। ৬ ওভারে ৫৯ রান করে বাংলাদেশ ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিল।

কিন্তু সাইফ মাঠ ছাড়ার পর বাংলাদেশ হতাশ করে। নিয়মিত উইকেট হারানোর পাশাপাশি আস্কিং রান রেট বাড়তে থাকে। শেষ দিকে আবু হায়দার ৩৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। উপযুক্ত সঙ্গী পাননি তিনি। বাংলাদেশকে থামতে হয় ৭ উইকেটে ১৪২ রানে। দলটির পক্ষে আর কেবল তাওহীদ হৃদয় (১২) দুই অঙ্কের ঘরে রান করেন।

শ্রীলঙ্কার পক্ষে দুশান হেমন্ত সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন।