লাঞ্চের আগে রেহান আহমেদ দ্রুত তিন উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে চেপে ধরেছিলেন। লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল ইংল্যান্ড। ধ্বংসস্তূপ থেকে পাকিস্তানকে টেনে তোলেন সৌদ শাকিল। দুই বোলার নোমান আলী ও সাজিদ খান ব্যাট হাতে তাকে উপযুক্ত সঙ্গ দেন। ম্যাচ ঘুরে যায় স্বাগতিকদের দিকে। পাকিস্তান ৭৭ রানের লিড নেয়। তারপর দ্বিতীয় ইনিংসে দ্রুত ইংল্যান্ডের তিন উইকেট তুলে দিনের খেলা নিজেদের করে নিয়েছে তারা।
ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে করা ২৬৭ রানের জবাবে পাকিস্তান দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে ৩ উইকেটে ৭৩ রানে। ১৬ রান করে অপরাজিত ছিলেন শাকিল ও শান মাসুদ। দুজনের ৫৩ রানের জুটি ভেঙে যায় শোয়েব বশিরের বলে। মাসুদ ২৬ রান করে ফেরেন।
মোহাম্মদ রিজওয়ানকে নিয়ে সতর্ক ব্যাটিংয়ে জুটিু ৫০ রান পার করেন শাকিল। ৫২ রানে বিচ্ছিন্ন হন তারা। ২৫ রানে রিজওয়ানকে ফেরান রেহান, এরপর একে একে ইংলিশ স্পিনারের শিকার সালমান আগা ও আমির জামাল।
১৭৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে লাঞ্চে যায় পাকিস্তান। শাকিল ও নোমান এই বিপদে হাল ধরেন। তাদের ৮৮ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকরা। স্কোর সমতা থেকে ২ রান দূরে থাকতে শোয়েব বশিরের শিকার হন নোমান। ৮৪ বলে ৪৫ রান করেন তিনি।
শাকিল এবার উইকেটে জমে যান সাজিদকে নিয়ে। তাদের জুটিতে লিড নেয় পাকিস্তান, তোলে ৭২ রান। শাকিল ২২৩ বলে ৫ চারে ১৩৪ রানে গাস অ্যাটকিনসের শিকার হন।
জাহিদ আহমেদকে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে ৩৪৪ রানে গুটিয়ে দেন রেহান। ৪৮ বলে ২ চার ও ৪ ছয়ে ৪৮ রানের আগ্রাসী ইনিংসে অপরাজিত ছিলেন সাজিদ।
রেহান সর্বোচ্চ চার উইকেট নেন। তিনটি পান বশির।
জবাব দিতে নেমে ইংল্যান্ড পঞ্চম ওভারে বেন ডাকেটকে (১২) হারায় সাজিদের বলে। টানা দুই ওভারে জ্যাক ক্রলি (২) ও অলি পোপকে (১) ফেরান নোমান। ২০ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর জো রুট ও হ্যারি ব্রুক চার রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দিন শেষ করেন। ৩ উইকেটে ২৪ রান করা ইংল্যান্ড এখনও ৫৩ রানে পিছিয়ে।