সেঞ্চুরি করতে আর এক রান লাগতো। ঢাকার ক্রিকেটার মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন মঙ্গলবার সকালে ব্যাটিংয়ে নেমে স্কোরবোর্ডে কোনও রান তোলার আগেই সাজঘরে ফেরেন। সদ্যই জাতীয় দলে অভিষেক হওয়া উইকেটকিপার ব্যাটার আক্ষেপে পোড়েন। তার ৯৯ রানের ইনিংসের সঙ্গে আশিকুর রহমান শিবলি, জয়রাজ শেখ ও তাইবুর রহমানের হাফ সেঞ্চুরিতে ঢাকা ৪০১ রান করে। চট্টগ্রাম দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ১২৪ রান তুললে ম্যাচটি ড্র হয়।
চট্টগ্রাম প্রথম ইনিংসে ৩৭১ রান করে। রবিবার শেষ বিকালে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাওয়া ঢাকা সোমবার তৃতীয় দিন শেষ করে ৪ উইকেটে ২৮১ রান নিয়ে। মাহিদুল ৯৯ রান নিয়ে অপেক্ষায় ছিলেন সেঞ্চুরির, কিন্তু প্রথম ওভারেই সাজঘরে ফিরতে হয়। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন তিনি। তার পরে তাইবুলের ৬১ রান এবং লেট অর্ডারে সুমন খান (৩২), রিপন মন্ডল (২৮) ও নাজমুল ইসলাম অপুর (২৬) ব্যাটে চারশ পার করে ঢাকা। এছাড়া আগের দিন আশিকুর (৫২) ও জয়রাজ (৭৪) স্বস্তির ইনিংস খেলেন।
চট্টগ্রামের বোলারদের মধ্যে ইরফান হোসেন, হাসান মুরাদ ও নাঈম হাসান তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন। একটি উইকেট নেন আহমেদ শরিফ।
৩০ রানে পিছিয়ে থেকে শেষ সেশনে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামে চট্টগ্রাম। ৩২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে তুলতে পারে ১২৪ রান। কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে যাওয়াতে ম্যাচটি ড্রতে নিষ্পত্তি হয়। সর্বোচ্চ ৩৯ রান আসে পারভেজ হোসেনের ব্যাট থেকে।
ঢাকার বোলারদের মধ্যে আনামুল হক সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন। এছাড়া শুভাগত হোম ও নাজমুল ইসলাম অপু নেন একটি করে উইকেট।