অক্টোবরের সেরার লড়াইয়ে রাবাদা, স্যান্টনার ও নোমান

আইসিসির প্লেয়ার অব দ্য মান্থের জন্য তিন জনকে মনোনীত করা হয়েছে। এবার নেই কোনও ব্যাটার। অক্টোবরের সেরা হওয়ার দৌড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার পেস সেনসেশন কাগিসো রাবাদার সঙ্গে আছেন দুই বাঁহাতি স্পিনার নিউজিল্যান্ডের মিচেল স্যান্টনার ও পাকিস্তানের নোমান আলী।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে লজ্জাজনক হার দিয়ে শুরু হয়েছিল পাকিস্তানের। পরের দুটি ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজ জিতে নিয়েছে স্বাগতিকরা, যাতে দুই স্পিনার সাজিদ খান ও নোমান আলীর অনবদ্য অবদান ছিল। তবে এগিয়ে ছিলেন নোমান। শেষ দুই ম্যাচে ১৩.৮৫ গড়ে ২০ উইকেট নেন তিনি।

ম্যাচের মোড় বদলে দেওয়া স্পেল করেন নোমান। দুই ম্যাচে তার বোলিং ফিগার ছিল ১১/১৪৭ ও ৯/১৩০। তার বোলিং নৈপুণ্যে তিন বছরের খরা কাটিয়ে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজ জেতে পাকিস্তান।

শুধু বল হাতেই নয়, তৃতীয় টেস্টে দলের সঙ্কটে ব্যাট হাতেও ত্রাতার ভূমিকায় নোমান। পাকিস্তানের স্কোর যখন ৭ উইকেটে ১৭৭, তখন ৪৫ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলে প্রথম ইনিংসে ৭৭ রানের ডি এনে দেন।

এদিকে বাংলাদেশ সফরে রাবাদা দারুণ পারফরম্যান্স করে আইসিসি টেস্ট বোলার র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ওঠেন। দুই টেস্টে ৯.০০ গড়ে ১৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে দুইবার পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েন প্রোটিয়া পেসার। সিরিজের সেরা খেলোয়াড়ও হয়েছেন রাবাদা।

অক্টোবরে মাত্র এক টেস্ট খেলেই নজর কেড়েছেন স্যান্টনার। নিউজিল্যান্ডের ভারত সফরে তার অবদান অবিস্মরণীয়। দ্বিতীয় টেস্ট জিতে প্রথমবার ভারতের মাটিতে ঐতিহাসিক সিরিজ জয় নিশ্চিত করে কিউইরা। আর এই ম্যাচে স্যান্টনার পেয়েছেন ১৩ উইকেট!

প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে ৩৩ রান কের নিউজিল্যান্ডকে ২৫৯ রান সংগ্রহে অবদান রাখেন। তারপর সাত উইকেট নিয়ে ভারতকে ১৫৬ রানে অলআউট করে দলকে ১০৩ রানের লিড এনে দেন। ইনিংস সেরা বোলিং করেন ৭ উইকেটের বিনিময়ে ৫৩ রান দিয়ে।

শেষ ইনিংসে ৩৫৯ রান ডিফেন্ড করতে হতো। ৩২ বছর বয়সী স্পিনার এবার নেন ছয় উইকেট। ১৫৭ রান দিয়ে ১৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরাও হন স্যান্টনার।