মানুষের বিশ্বাসের প্রতিদান দিতে চান সালাউদ্দিন

২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত জাতীয় দলে ফিল্ডিং ও সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করেছেন মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন। ১৪ বছর পর তিনি আবার জাতীয় দলের কোচিং প্যানেলে ফিরেছেন। তবে এবার সিনিয়র সহকারী কোচের ভূমিকায়। লম্বা সময় ধরে স্থানীয় কোচিং স্টাফ জাতীয় দলে নেই। অনেক ক্রিকেট ভক্তই মনে করেন, স্থানীয় কোচ নিয়োগের মাধ্যমে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সমস্যার সমাধান হবে। তারই ধারাবাহিকতায় জাতীয় দলের কোচিং প্যানেলে যুক্ত হয়ে মানুষের বিশ্বাসের প্রতিদান দিতে চান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।
 
রবিবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে গণমাধ্যমের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। সেখানেই এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, ‘চেষ্টা করবো যেন মানুষ আমাকে যেভাবে ভালোবাসছে। আমি দেখলাম শেষ কিছুদিনে, সেটার প্রতিদান দেওয়াও নৈতিক দায়িত্ব হয়ে গেছে।’

সালাউদ্দিন আরও বলেছেন, ‘চেষ্টা করবো আমাদের ছেলেরা যেন আরেকটু আত্মবিশ্বাসী হয়। সেই সঙ্গে আমাদের যে বিদেশি কোচরা আছে তাদের সঙ্গে যোগাযোগটা যেন আরেকটু ভালো হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবো।’

প্রথমবার জাতীয় দলে সালাউদ্দিনের মূল দায়িত্ব ছিল ফিল্ডিং কোচ হিসেবে। এবার সহকারী কোচ হিসেবে নিয়োগ পেলেও ব্যাটিং নিয়েই কাজ করবেন তিনি। এ প্রসঙ্গে সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘যেহেতু আমি সহকারী কোচ, আর প্রধান কোচও আছে এখানে। তার দর্শনটা আমাকে আসলে...সে কীভাবে টিমটা চালাচ্ছে, তাকে সাহায্য করা। এর সঙ্গে খেলোয়াড়দের যতটুকু সাহায্য করতে পারি। আমার ভূমিকাটা হয়তো ভিন্ন হবে আগেরবারের তুলনায়। ’

কোচ হিসেবে জাতীয় দলের কোচিং প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত সালাউদ্দিনের অনুভূতি জানতে চাওয়া হয়েছিল। তিনি বলেছেন, ‘বেসিক্যালি অনুভূতি খুব কম। অনুভূতি হয় না, কারণ এটা আমার পেশা। আমি যেই জার্সিতেই থাকি, সেটাতে পুরোটা দেওয়াই হচ্ছে আমার কাজ। আমি যেন ১১০ পার্সেন্ট দিতে পারি এবং আমার সেরাটা যেন দিতে পারি। আমি যেহেতু পেশাদার কোচ, আমি যেখানে কাজ করবো সেখানেই আমার পুরোটা দিতে হবে।’