জাতীয় ক্রিকেট লিগে সিলেট ও খুলনার মধ্যকার ম্যাচটি নিষ্প্রাণ ড্রতে শেষ হয়েছে। ফলোঅনে পড়লেও দ্বিতীয় ইনিংসে মোহাম্মদ মিঠুনের অপরাজিত সেঞ্চুরির সুবাদে ম্যাচ বাঁচায় খুলনা।
সিলেটের ৭ উইকেটে ৪৯৬ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে ২৭৩ রানে গুটিয়ে যায় খুলনা। তাই তাদের আবার ব্যাটিংয়ে নামায় সিলেট। ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয়বার ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ৩ উইকেটে হারিয়ে ২৯৬ রান করে খুলনা।
দিনের শুরুতে অমিত মজুমদারের উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছিল খুলনা। দ্বিতীয় উইকেটে ১০১ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন এনামুল হক বিজয় ও ইমরুল কায়েস। এনামুল ৫৪ রানে বিদায়ে নেওয়ার পর মিঠুনের সঙ্গে জুটি বাঁধেন ইমরুল। ৫৩ রানের জুটির পর ৭১ রানে ইমরুল রান আউটের শিকার হয়। বাকি সময়টাতে আর উইকেট হারায়নি খুলনা। মিঠুন ১০২ এবং নুরুল হাসান সোহান ৫০ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন।
সিলেটের বোলারদের মধ্যে তোফায়েল আহমেদ ও নাবিল সামাদ একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে অমিত হাসানের ডাবল সেঞ্চুরি (২১৩) এবং আব্দুল্লাহ আল গালিবের (১১৫) রানের ওপর দাঁড়িয়ে ৪৯৬ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে সিলেট। ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করে ম্যাচ সেরা হন অমিত।
চার ম্যাচে সিলেটের এটি দ্বিতীয় ড্র। সঙ্গে দুই জয়ে মোট ১৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থানে তারা। সমান ম্যাচে এক জয় ও তিন ড্রয়ে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে খুলনা।
এদিকে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠে শেষ দিকে জমে উঠেছিল ঢাকা মেট্রো ও ঢাকা বিভাগের লড়াই। মেট্রোর বোলিং সামলে ব্যাটিং দৃঢ়তা ও প্রকৃতির সহায়তায় পরাজয় এড়িয়ে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে পেরেছে ঢাকা। আগে ব্যাটিং করে ঢাকা মেট্রো ৩০৪ রানের সংগ্রহ গড়ে। জবাবে খেলতে নেমে ৩১৫ রানের সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারে ঢাকা। ১১ রানে পিছিয়ে থেকে ঢাকা মেট্রো দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে। কিন্তু মো. এনামুল হকের বোলিংয়ে তারা ২৬৭ রানে থেমে যায়।
তাতে করে জয়ের জন্য ২৫৭ রানের লক্ষ্য পায় ঢাকা। জিততে না পারলেও চতুর্থ ও শেষ দিনে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রান সংগ্রহ করতে পারে তারা। ব্যাটাররা খুব ভালো না করলেও ঢাকার হার এড়ানোর মূল নায়ক বোলার এনামুল। তিনি দ্বিতীয় ইনিংসে ৮১ রানে নেন ৬টি উইকেট। এর আগে প্রথম ইনিংসেও নেন চারটি উইকেট। সবমিলিয়ে ১০ উইকেট নিয়ে দলের হার এড়াতে বড় ভূমিকা রেখেছেন তিনি। পেয়েছেন ম্যাচ সেরার পুরস্কারও।