সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অন্য ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ১৫৭ রান তাড়া করতে নেমে ম্যাচ থেকে প্রায় ছিটকেই গিয়েছিল সিলেট। শেষ ২ ওভারে তাদের দরকার ছিল ২৪ রান। সেই ম্যাচকেই জাগিয়ে তোলেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাবেক অধিনায়ক মাহফুজুর রহমান রাব্বি। যদিও শেষ পর্যন্ত পারেননি। শেষ বলের রোমাঞ্চকর ম্যাচে সিলেট হার মানে ১ রানে। এই জয়ে ঢাকা মেট্রো পাঁচ ম্যাচ জিতে টেবিলের দুই নম্বরে পৌঁছে গেছে। অন্যদিকে হারের বৃত্তে ঘুরতে থাকা সিলেট বিদায়ের শঙ্কায়।
ঢাকা মেট্রোর শহীদুল ইসলামের প্রথম পাঁচ বলে ২০ রান নিয়েছিলেন মাহফুজুর। কিন্তু শেষ বলে ৪ রান লাগতো, ভাগ্যকে পাশে পেলেন না তিনি। ডানহাতি পেসারের লেন্থ বল মিড উইকেটে পাঠিয়ে ২ রান নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে জয় পায় মেট্রো এবং দ্বিতীয় দল হিসেবে প্লে অফ নিশ্চিত করে। পাঁচ ম্যাচে শতভাগ সাফল্য নিয়ে রংপুরও সবার আগে প্লে অফের টিকিট কাটে। সমান ১০ পয়েন্ট নিয়ে নেট রান রেটে এগিয়ে থেকে শীর্ষে তারা।
প্রথম ইনিংসে ঢাকা মেট্রো ১৫৬ রানের ইনিংস খেলে। আবু হায়দার রনি মাত্র ২৩ বলে ৪৭ রান করেন। ২ চার ও ৫ ছক্কায় সাজান ইনিংসটি। এছাড়া ২১ বলে ২৮ রান আসে শামসুর রহমান শুভর ব্যাট থেকে। আনিসুল ইসলাম ইমনের ব্যাট থেকে আসে ৩৬ বলে ৩৯ রান।
জবাবে খেলতে নেমে ৪৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে পড়ে যায় সিলেট। লড়াইটা কেবল একাই করেছেন মাহফুজুর। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে একাই ঝড় তোলেন বাঁহাতি ব্যাটার। যদিও শেষ পর্যন্ত তার লড়াই বৃথা গেছে। ৩৯ বলে ৩ বাউন্ডারি ও ৭ ছক্কায় ৮২ রানে অপরাজিত থাকেন মাহফুজুর রহমান।