রানার ৪ উইকেট, খুশদিলের জোড়া আঘাতে রংপুরের টানা দ্বিতীয় জয়  

বিপিএলে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয় তুলে নিয়েছে রংপুর রাইডার্স। যার পেছনে মূল অবদান পেসার নাহিদ রানা ও পাকিস্তানের বামহাতি স্পিনার খুশদিল শাহর। ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েও বোলিং নৈপুণ্যে সেটা ডিফেন্ড করতে পেরেছে রংপুর। সিলেট স্ট্রাইকার্সকে হারিয়েছে ৩৪ রানে। 

৪৩ রানে তিন উইকেট পড়লেও রান তাড়ায় সঠিক পথেই ছিল সিলেট। পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে যায় খুশদিল শাহ ১৫তম ওভারে জোড়া আঘাত হানলে। প্রথম বলে ওপেনার রনি তালুকদারকে ফিরিয়ে জাকের আলীর সঙ্গে গড়া ৪৮ রানের জুটি ভাঙেন তিনি। রনি ৩৬ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় ৪১ রান করেছেন। পরের বলে অধিনায়ক আরিফুল হককে শূন্য রানে স্টাম্পড করালে ম্যাচ হাতের মুঠোয় চলে আসে রংপুরের। পরের বলে উইকেট নিয়ে হ্যাট্রিকের সম্ভাবনাও জাগিয়েছিলেন পাকিস্তানি স্পিনার। যদিও রিভিউর কল্যাণে কোনও অঘটন ঘটেনি। নাহিদ রানা পরের ওভারে জাকের আলীকে তালুবন্দি করলে পুরোপুরি ছিটকে যায় সিলেট। উইকেট হারাতে থাকলে শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ১২১ রানে থামে সিলেট। জাকের ৩৩ বলে ১ চার ও ১ ছক্কায় ২৪ রান করেছেন।

পুরো ম্যাচে দারুণ বোলিংয়ে আলো ছড়ান নাহিদ রানা। ২৭ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। ম্যাচসেরাও তিনি। খুশদিল ১০ রানে নিয়েছেন দুটি। ১৮ রানে দুটি নিয়েছেন সাইফউদ্দিনও। একটি নিয়েছেন কামরুল ইসলাম। 

শুরুতে টস জিতে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৫৫ রান তুলতে পারে রংপুর। যদিও এক পর্যায়ে ১২ ওভারে ৬৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে ছিল তারা। সেখান থেকে দলকে দেড়শ ছাড়াতে অবদান রাখেন অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান ও ইফতিখার আহমেদ। দুজনে মিলে যোগ করেছেন ৬৫ রান। ঝড়ো গতিতে ব্যাট করেছেন সোহান। ২৪ বলে ৪১ রান করেছেন। ইফতিখার অবশ্য খেলেছেন ওয়ানডে মেজাজে। ৪২ বলে ৪৭ রান করেন তিনি। সোহানের ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ২টি ছয়। ইফতিখারের ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ১টি ছয়। সোহান দলকে একটা পর্যায়ে পৌঁছে দিয়ে আউট হলেও অপরাজিত ছিলেন ইফতিখার। শেষ দিকে মেহেদী হাসানও ৮ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ১৬ রানের ইনিংসে ভূমিকা রেখেছেন। 

রংপুরের হয়ে ২৭ রানে দুটি উইকেট নিয়েছেন তানজিম হাসান সাকিব। ৩১ রানে দুটি নিয়েছেন আল আমিন হোসেন। একটি করে নিয়েছেন রিচ টপলি ও সামিউল্লাহ শিনওয়ারি।