বেঙ্গালুরুর ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে খেলবে বাংলাদেশ

বেঙ্গালুরু স্টেডিয়ামবেঙ্গালুরুর পুরো স্টেডিয়ামে সবুজ চাদরে ঢাকা। ধর্মশালার উইকেটের মতোই এখানে প্রচুর ঘাস রয়েছে। ইডেনের মতো আউটফিল্ডও অনেক দ্রুতগতির। তবে চেন্নাস্বামী স্টেডিয়ামটি ভারতের অন্য সব মাঠের চেয়ে খানিকটা ছোট। এই ম্যাঠেই ওয়ানডে ক্রিকেটে রোহিত শর্মা ২০৯ রানের ইনিংস খেলেছেন, ক্রিস গেইল আইপিএলে খেলেছেন ১৭৫ রানের ইনিংস। অন্যদিকে মাইকেল ক্লার্কের অভিষেক টেস্ট সেঞ্চুরি ও ইনজামাম উল-হকের শততম টেস্টের সেঞ্চুরির সাক্ষি বেঙ্গালুরুর চেন্নাস্বামী স্টেডিয়াম। ভারতের সর্বকালের সেরা স্পিনার অনিল কুম্বলেও তার ৪০০তম উইকেটটি পেয়েছিলেন এখানেই।

চেন্নাস্বামীর উইকেট ব্যাটসম্যানদের জন্য সবসময়ই আর্শিবাদ হয়ে ধরা দেয়। এখানে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি হয়েছে মাত্র একটি ম্যাচ। তবে ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটের জমজমাট আসর আইপিএলের ম্যাচগুলো নিয়মিতই হয়েছে এখানে।
বেঙ্গালুরুর উইকেটে প্রথম ইনিংসে গড় রান ১৬৫ এর উপরে। পরিসংখ্যানে চোখ রাখলেই দেখা যায় এখানে রানের বন্যা বইয়ে দেন ব্যাটসম্যানরা। আইপিএলের দল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর নিজস্ব মাঠ এটি। তারা নিজেদের মাটিতে ৩৮ ম্যাচ খেলে জয় পেয়েছে ২১টি।

বেঙ্গালুরুর উইকেটে রান ওঠার যথেষ্ট কারণও আছে।  মাঠটি অনেক ছোট। সীমানা মাত্র ৬৮ মিটার মাত্র! ব্যাট-বলের মোটামুটি সংযোগ হলেই বল সীমানা ছাড়াও হওয়া কোনও ব্যাপারই না। এমন মাঠে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের মত শক্তিশালী ব্যাটিং আক্রমণের বিপক্ষে মোকাবেলা করা সত্যিই কঠিন কাজে। তাইতো বাংলাদেশের বোলারদের জন্য এমন উইকেটে খেলাটা চ্যালেঞ্জের হবে। একদিন আগে শুক্রবার পেস বোলিং কোচ হিথ স্ট্রিকও একই কথা জানালেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,‘উইকেট খুব ভালো ব্যাটিং সহায়ক। বেঙ্গালুরু সবসময়ই বড় স্কোরের মাঠ। সব বোলারের জন্যই এখানে বোলিং করা চ্যালেঞ্জের।’  চেন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে একটি মাত্র আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান। ২০০৯ সালে ওই ম্যাচে ভারতকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল পাকিস্তান। সোমবার এই ভেন্যুতে তৃতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে রবিবার শ্রীলঙ্কার সঙ্গে মুখোমুখি হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

/আরআই/ এমআর/