খুশদিল-আকিফের নৈপুণ্যে রংপুরের আটে আট

খুশদিল শাহ ঝড় তুললেন ব্যাট হাতে। বল নিয়েও চমৎকারিত্ব দেখালেন, হলেন ম্যাচসেরা। তার সঙ্গে বোলিংয়ে আকিফ জাভেদ রাখলেন অসামান্য অবদান। দুই পাকিস্তানির নৈপুণ্যে রংপুর রাইডার্সের কাছে ঘরের মাঠে হারলো চিটাগং কিংস।

চট্টগ্রামে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে খুশদিলের ঝড়ো হাফ সেঞ্চুরিতে রংপুর ৭ উইকেটে ১৬৪ রান করে। জবাবে আকিফের বোলিং তোপে পড়ে ৮ উইকেটে ১৩১ রানে থামে চিটাগং।

টপ অর্ডারে ৩২ বলে ৩৯ রান করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন স্টিভেন টেলর। ৯ রানে ওপেনিং জুটি ভাঙার পর তিনে নামা সাইফ হাসানের সঙ্গে ৫৪ রানের জুটি গড়েন তিনি। ১ উইকেটে ৬৩ রান করা দলটি ছয় রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল।

খুশদিল প্রতিরোধ গড়েন। নুরুল হাসান সোহানের সঙ্গে ৪১ রানের জুটি গড়েন পাকিস্তানি ব্যাটার। ২৮ বলে ২ চার ও ৭ ছয়ে ৫৯ রান করে মোহাম্মদ ওয়াসিমের হাতে ফিরতি ক্যাচ দেন।

শেষ দিকে মেহেদী হাসানের ১২ বলে ১৭ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের এক ছয়ে ৮ রানের অপরাজিত ইনিংসে চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে রংপুর।

চিটাগংয়ের পক্ষে আল ইসলাম ও ওয়াসিম দুটি করে উইকেট নেন।

আকিফ নেন চার উইকেট

লক্ষ্যে নেমে প্রথম বলেই উইকেট হারায় চিটাগং। আগের দিনে রেকর্ড জুটি গড়া পারভেজ হোসেন ইমন ও গ্রাহাম ক্লার্ক এবার ৪৫ রানের বেশি করতে পারেননি। পারভেজ ২৬ ও ক্লার্ক ২৩ রানে আকিফের শিকার হন।

৫৩ রানে চার উইকেট হারায় চিটাগং। সেখান থেকে শামীম হোসেন ও নাঈম ইসলাম ৫৩ রানের জুটি গড়লেও রান রেটের চাপ বাড়তে থাকে। শেষ দিকে আর সেই চাপ কাটাতে পারেনি স্বাগতিকরা। শামীম ৩৮ রানের সেরা ইনিংস খেলেন। 

আকিফ চার ওভার বল করে ১৪টি ডট দিয়েছেন। ৩২ রান খরচায় নিয়েছেন চার উইকেট। খুশদিল পান দুই উইকেট।

আট ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান আরও সুসংহত করলো রংপুর। দুই ম্যাচ কম খেলে সমান ৮ পয়েন্ট নিয়ে দুই ও তিনে ফরচুন বরিশাল ও চিটাগং।