১৯ উইকটের দিনে নোমান-সাজিদের স্পিনে পাকিস্তানের আধিপত্য

সৌদ শাকিল ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ১৪১ রানের জুটি ভাঙার পর পাকিস্তানকে ধসিয়ে দিয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাকিস্তানকে প্রথম ইনিংসে ২৩০ রানে অলআউট করার পর ব্যাটিংয়ে নেমে হাপিত্যেশ করেছে তারা। এক সেশনেরও কম সময়ে ১৩৭ রানে অলআউট ক্যারিবিয়ানরা। তাদের ১০ উইকেটের মধ্যে ৯টি ভাগাভাগি করেছেন পাকিস্তানি স্পিনার নোমান আলী ও সাজিদ খান।

দুই সেশনে ১৬ উইকেট হারায় দল দুটি। তবে পাকিস্তান শেষ সেশনে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নেমে আধিপত্য দেখালো। অধিনায়ক শান মাসুদের হাফ সেঞ্চুরিতে স্বাগতিকরা ২০২ রানের লিড নিয়েছে, হাতে এখনও সাত উইকেট।

১৯ উইকেট পড়ার দিনে মাঝের সেশনেই হয়েছে বিরাট ধস। নোমান ও সাজিদকে জবাব দেওয়ার মতো কোনও সামর্থ্যই ছিল ক্যারিবিয়ানদের। এই ইনিংসে কেবল ১৪টি ডেলিভারি ছাড়া সবগুলোই করেছেন দুই স্পিনার। ২৫.২ ওভারে ১৩৭ রানে অলআউট হয় উইন্ডিজ। 

৬৬ রানে ক্যারিবিয়ানরা আট উইকেট হারানোর পর শেষ দুই উইকেটে জোমেল ওয়ারিকান ৭১ রান তোলেন গুডাকেশ মোটি (১৯) ও জেইডেন সিলসকে (২২) সঙ্গে নিয়ে। তার ৩১ রান ছিল সফরকারীদের হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ।

নোমান ১১ ওভারে ৩৯ রান দিয়ে নেন ৫ উইকেট। চারটি পান সাজিদ, দেন ৬৫ রান।

৯৩ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নেমে মাসুদের সঙ্গে মোহাম্মদ হুরাইরার ৬৭ রানের জুটি ভালো শুরু এনে দেয় পাকিস্তানকে।

হুরাইরা (২৯) ফিরে যাওয়ার পর বাবর আজম (৫) দ্রুত বিদায় নেন। দিনের শেষ ভাগে মাসুদ থামেন ৭০ বলে ৫২ রান করে। তিন রানের অপরাজিত জুটিতে দিন শেষ করেছেন কামরান গুলাম (৯) ও শাকিল (২)। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে দুটি উইকেট নেন ওয়ারিকান। দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১০৯ রান।

প্রথম ইনিংসে চার উইকেটে ১৪৩ রানে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিল পাকিস্তান। শাকিল দলীয় ১৮৭ রানে বিদায় নিলে ভেঙে পড়ে স্বাগতিকদের ব্যাটিং লাইন। রিজওয়ান করেন ৭১ রান। আর কেবল সাজিদ (১৮) দুই অঙ্কের ঘরে রান করেন।

প্রথম ইনিংসে সিলস ও ওয়ারিকান তিনটি করে উইকেট নেন।