মুলতানে সিরিজের প্রথম টেস্টে পাকিস্তানের কাছে পাত্তাই পেলো না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাদের ১২৭ রানে হারিয়েছে স্বাগতিক দল।
তৃতীয় দিন ২৫১ রানের লক্ষ্য দিয়ে লাঞ্চের মধ্যেই সফরকারীদের বিপদে ফেলেন পাকিস্তানি স্পিনার সাজিদ খান। তার ঘূর্ণিতে ৫৪ রানে পড়ে ৫ উইকেট। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসে শেষ তিন ক্যারিবীয় ব্যাটারের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিরোধ অবশ্য দেখা যায়নি। একমাত্র আলিক আথানেজ ফিফটিতে লড়াই করার চেষ্টা করেছেন। বিদায়ের আগে ৫৫ রান করেছেন তিনি। পাকিস্তানের দুই স্পিনার সাজিদ ও আবরার মিলে ৯ উইকেট ভাগাভাগি করেছেন। অফস্পিনার সাজিদ ৫০ রানে নিয়েছেন ৫টি, লেগ স্পিনার আবরার ২৭ রানে শিকার করেছেন ৪টি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংস থামে ১২৩ রানে।
পুরো টেস্টেই দাপট ছিল স্পিনারদের। দেখা গেছে শার্প টার্ন। ২০ উইকেটের সবগুলোই নিয়েছেন তারা। তৃতীয় দিনেই যেমন জোমেল ওয়ারিক্যানের ঘূর্ণিতে পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৫৭ রানে গুটিয়ে গেছে। অথচ স্বাগতিক দল ৩ উইকেটে ১০৯ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিল। কিন্তু বামহাতি স্পিনার ওয়ারিক্যানের ঘূর্ণিতে আর ৪৮ রান যোগ করতে পেরেছে শান মাসুদরা।
দুই ইনিংস মিলে ১০১ রানে দশ উইকেট নিয়েছেন ওয়ারিক্যান। যা তার ক্যারিয়ারের প্রথম দশ উইকেট শিকারের নজির। পাকিস্তানের মাটিতে কোনও ক্যারিবিয়ান বোলারেরও সেরা ফিগার এটি। ওয়ারিক্যানের আগের সেরা ফিগার ৫০ রানে ৪ উইকেট। যেটা ২০২১ সালে গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে করেছিলেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
পাকিস্তান ২৩০ (শাকিল ৮৪, রিজওয়ান ৭১; সিলস ৩/২৭, ওয়ারিক্যান ৩/৬৯) ও ১৫৭ (মাসুদ ৫২, হুরাইরা ২৯; ওয়ারিক্যান ৭/৩২)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৩৭ (ওয়ারিক্যান ৩১*, সিলস ২২; নোমান ৫/৩৯, সাজিদ ৪/৬৫) ও ১২৩ (আথানেজ ৫৫; সাজিদ ৫/৫০, আবরার ৪/২৭)
ফল: পাকিস্তান ১২৭ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা: সাজিদ খান (৯ উইকেট)।