বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত ম্যাচ, আফগানদের ক্ষীণ আশায় রেখে সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়া

অঝোরে বৃষ্টি নেমেছিল লাহোরে, আফগানিস্তানের ২৭৪ রানের লক্ষ্যে নেমে ১২.৫ ওভারে যখন অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ১ উইকেটে ১০৯ রান। জয়ের পাল্লা তাদের দিকেই ঝুকে ছিল। দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় অপেক্ষার পর অবস্থার উন্নতি হয়নি। ম্যাচের ফল বের করতে দ্বিতীয় ইনিংসের খেলা অন্তত ২০ ওভার হওয়া লাগতো। সেই শর্ত পূরণ না হওয়ায় ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। পয়েন্ট ভাগাভাগি করে দুই দল, এক পয়েন্ট নিয়েই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া। টানা দুটি ম্যাচে একটি করে পয়েন্ট পেয়েও তিন ম্যাচ শেষে চার পয়েন্টে সেরা চারে তারা।

লক্ষ্যে নেমে ট্র্যাভিস হেডের ৩৪ বলে ফিফটিতে দাপট দেখায় অস্ট্রেলিয়া। বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ৪০ বলে ৫৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৯ চার ও ১ ছয়ে সাজানো ছিল তার ইনিংস। অন্য প্রান্তে ১৯ রানে খেলছিলেন স্টিভ স্মিথ।

হেডের সঙ্গে ৪.৩ ওভারে ৪৪ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ে ফিরে যান ম্যাথু শর্ট (২০)। একই মনোভাব নিয়ে খেলতে থাকেন হেড। বৃষ্টির আভাস পেয়েই আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন তিনি। 

এর আগে আফগানিস্তান ব্যাটিংয়ে নেমে ২৭৩ রানে অলআউট হয়। সেদিকউল্লাহ অটল করেন ৮৫ রান। শেষ দিকে আজমতউল্লাহ ওমরজাই ৬৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন।

লড়াকু স্কোর গড়লেও আফগান বোলাররা শুরু থেকে অজি ব্যাটারদের কাছে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারায়। আর তাতেই পিছিয়ে পড়ে তারা।

হেরে গেলেই বিদায় নিতে হতো আফগানিস্তানকে। কিন্তু পয়েন্ট ভাগাভাগি করায় ‘অনানুষ্ঠানিকভাবে’ টুর্নামেন্টে টিকে থাকলো তারা। তিন ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের তৃতীয় স্থানে আফগানরা। এক ম্যাচ কম খেলে সমান পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেমিফাইনালে উঠতে হলে আফগানিস্তানের তাকিয়ে থাকতে হবে ইংল্যান্ডের জয়ের দিকে, তবে সমীকরণটা অসম্ভব বলা চলে। শনিবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আগে ব্যাট করলে ইংল্যান্ডকে জিততে হবে ২০৭ রানে, আর পরে ব্যাট করলে ১১.১ ওভারের মধ্যে লক্ষ্য ছুঁতে হবে (দুটি ক্ষেত্রেই প্রথম ইনিংসে ৩০০ রানের হিসাবে)। দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ।