বিপিএলের আগে কিছুটা ছন্দহীন ছিলেন পেসার শরিফুল ইসলাম। যে কারণে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলে তার সুযোগ হয়নি। তবে এই মুহূর্তে দারুণ ছন্দে আছেন শরিফুল। বিপিএলের দারুণ পারফরম্যান্স ধরে রেখে ঢাকা লিগের শুরুর ম্যাচেই আলো ছড়িয়েছেন। তার গতি ঝড়ে পরাস্ত হয়ে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ৯৩ রানে অলআউট হয়েছে। সেই লক্ষ্যটা আবার কোনও উইকেট না হারিয়ে পার করেছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। ১৪ রানে ৪ উইকেট নিয়ে গাজীর ব্যাটিং লাইন গুঁড়িয়ে দেওয়া শরিফুল ছিলেন ম্যাচসেরা।
বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে টস জিতে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। দলটির অধিনায়ক আকবর আলী ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে। তার পর শরিফুল ইসলাম ও তানভীর ইসলামের বোলিং তোপে ৯৩ রানে অলআউট হয় তারা। ৯৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজীদ হাসান তামিম মিলে অবিচ্ছিন্ন ৯৭ রানের জুটি গড়ে মাত্র ১৩.৫ ওভারে ১০ উইকেট জয় নিশ্চিত করেছেন। সাইফ ৩৮ বলে খেলেছেন ২৭ রানের ইনিংস। অন্যদিকে তানজিদ তামিম খেলেছেন ৪৬ বলে ৬৫ রানের ইনিংস।
শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে গাজী গ্রুপ প্রথম বলেই উইকেট হারিয়েছে। শরিফুলের প্রথম বলে অধিনায়ক এনামুল হক উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন। যদিও এই আউটে সন্তুষ্ট মনে হয়নি এনামুলকে। দলটির টপ অর্ডার ৬ ব্যাটারের মধ্যে তিনজন রানের খাতা খুলতে পারেননি। বাকি তিন জনের রান ছিল যথাক্রমে ১, ২, ১! মাত্র্র ৪ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর গাজীর স্কোর ৯৩ রানে পৌঁছানোর কৃতিত্ব তোফায়েল আহমেদ (২৪), ওয়াইসি সিদ্দিকি (১৮) ও আব্দুল গাফফার সাকলাইনের (২৬)। এই তিনজনই কেবল দুই অঙ্কের ঘরে রান করতে পেরেছেন। লেট অর্ডারের এই তিন ব্যাটারের ব্যাটে গাজী ৩৮.৫ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৯৩ রান সংগ্রহ করে।
১৪ রানে চার উইকেট শিকার করে রূপগঞ্জের সেরা বোলার শরিফুল। এছাড়া তানভীর ২৩ রানে নেন তিনটি উইকেট। তানজিম হাসান সাকিব ও সাইফ হাসান নেন একটি করে উইকেট।