তবে হারের পেছনে অধিনায়ক মাশরাফি কাউকে দোষ দিচ্ছেন না। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমি কাউকে দায়ী করছি না। আমাদের দিকেও রেজাল্টটা আসতে পারতো।’ অধিনায়ক হিসেবে কতটুকু হতাশ এমন প্রশ্নে মাশরাফি বলেন, ‘শুধু আমি না, ড্রেসিং রুমে যারা আছে তাদের সবার জন্যেই ম্যাচটি হতাশার। এ ধরণের ম্যাচ কেউ হারে না। কেউ হারতে পারে না। শেষ ৩ বলে আপনার লাগবে ২ রান। তখনও দুই সেট ব্যাটসম্যান। ওই অবস্থায় ৩ উইকেট হারানো সবার জন্যই খুব কঠিন ম্যাচ।’
হতাশা চেপে রেখে মাশরাফি জানালেন আরও একটু সচেতন হয়ে, ক্যালকুলেটিভ রিস্কে যদি খেলা যেত তাহলে ম্যাচটি সহজেই জেতা সম্ভব হতো। এ প্রসঙ্গে মাশরাফি বলেন, ‘ক্যালকুলেটিভ হলে একেবারে রিস্কলেস হত। ফিল্ডার একজনও ওপরে ছিল না। সবাই বাইরে ছিল। ওই বলটাই এক হয়ে গেলে হয়ত আমরা ভালো পজিশনে থাকতাম। এরপর আমাদের ২ বলে ১ রান লাগত। ওই অবস্থান চিন্তা করলেই ভালো হত। আমরা তা করতে পারিনি।’
তবে এখানে থেমে থাকতে চান না মাশরাফি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে অবশ্যই ফিরে আসতে হবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট তো এখানেই থেমে যেতে পারে না। আমাদেরকে এ অবস্থা থেকে এগিয়ে যেতে হবে।’
মাশরাফি মনে করেন, শেষ তিন বল ছাড়া তার দলের ক্রিকেটাররা অসাধারণ ক্রিকেট খেলেছে। তাইতো বোলার ও ব্যাটসম্যানদের কৃতিত্ব দিলেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় শেষ ৩ বল বাদ দিলে পুরো ম্যাচ আমরা অসাধারণ খেলেছি। জেতার জন্যে যতটুকু দরকার ছিল, আমরা ঠিক ততটুকু করেছি। ওই তিনটি বল বাদ দিলে ম্যাচ জিততে হলে যতটুকু করা দরকার ততটুকু করেছি আমরা।'
সৌম্যকে পেছনে খেলানোর ব্যাপারে মাশরাফি বলেন, ‘ব্যাটিং অর্ডারে মিথুন যেহেতু আগের ম্যাচে ভালো ব্যাটিং করেছে তাই সৌম্যকে ৫ এ নামিয়ে নিয়ে আনি। ওই সময়ে আমি গিয়েছিলাম ডানহাতি-বামহাতি কম্বিনেশন রেখে ব্যাটিং করতে। স্পিনাররা বোলিং করছিল। আর আমি আক্রমণ করার জন্যে গিয়েছিলাম।’
/আরআই/এমআর/