এমন সহজ লক্ষ্য তাড়া করেও কঠিন করেই ম্যাচটি জিতলো ক্যারিবিয়ানরা। ম্যাচ গড়ালো শেষ ওভার পর্যন্ত। ওই ওভারে ৯ রান নিয়ে ৩ উইকেট হাতে রেখে ম্যাচ জিতে নেয় উইন্ডিজরা।
শুক্রবার নাগপুরে বিদর্ভ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে টসে জিতে বোলিং নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এদিন দানবীয় ব্যাটসম্যান গেইলও এদিন পুরোদস্তুর বোলার হয়ে গেছেন। তুলে নিয়েছেন দুটি উইকেট। তাতে ৫০ রানের আগে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় প্রোটিয়ারা।
দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ডি কক একাই ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছেন। ২২ গজের অন্য প্রান্ত দিয়ে বাকিরা একের পর এক আসা যাওয়া করেন। ১ রানে আমলা ফিরে যাওয়ার পর তার পথ ধরেন ডু প্লেসিস (৯), রুশো (০), ডি ভিলিয়ার্স (১০) ও মিলার (১)।
অবশেষে ডি কককে সঙ্গ দিচ্ছেন উইজি। গড়ে তোলেন আশা জাগানিয়া জুটি। তবে ডি কক বিদায় নিলে ভেঙে যায় তাদের ৫০ রানের জুটি। রাসেলের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৪৭ রান করেন ডি কক। উইজি মাঠ ছাড়ার আগে করেন ২৮ রান। এছাড়া ক্রিস মরিসের অপরাজিত ১৬ রানই উল্লেখযোগ্য স্কোর। শেষ পর্যন্ত ১২২ রান সংগ্রহ করে প্রোটিয়ারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলার গেইল, রাসেল ও ব্রাভো দুটি করে উইকেট পান।
জবাবে শুরুটা ভালো হয়নি ক্যারিবীয়দের। প্রথম ওভারে ফিরে যান গেইল (৪)। এরপর দলীয় ৩৪ রানে রান আউটে ফিরে যান ফ্লেচার(১১)। তারপর এগিয়ে যাচ্ছিল ক্যারিবীয়রা। ৬৬ রানে চার্লস (৩২) ফিরে গেলে কিছু চাপে পড়ে উইন্ডিজ। ৮৭ রনে ফিরে যান ব্রাভোও। ১০০ রানের মাথায় পরপর রাসেল ও স্যামি আউট হলে ম্যাচে ফিরে আসে প্রোটিয়ারা। তবে তখনও একপ্রান্ত ধরে রেখেছিলেন স্যামুয়েলস। শেষ দু ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রয়োজন হয়ে দাঁড়ায় ২০ রান। কিন্তু ১৮.৫ ওভারে স্যামুয়েলস (৪৪) ফিরে গেলে শঙ্কায় পড়ে যায় ক্যারিবিয়রা। শেষ ওভারে ম্যাচ জিততে তাদের প্রয়োজন দাঁড়ায় ৯ রান। তবে শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে ছক্কা মেরে জয় হাতের মুঠোয় আনেন ব্রাথওয়েট। শেষ পর্যন্ত দুই বল হাতে রেখে ম্যাচ জিতে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
/এমআর/