গ্লোবাল সুপার লিগে বাংলাদেশের তারকা সাকিব আল হাসানের মুখোমুখি বাংলাদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি রংপুর রাইডার্স। এদিন বাঁহাতি অলরাউন্ডার তার সাবেক বিপিএল ক্লাবের জন্য খুব বেশি অসুবিধার কারণ হতে পারেননি। বল হাতে দুবাই ক্যাপিটালসের সাকিব মিতব্যয়ী থাকলেও ইফতিখার আহমেদ ও নুরুল হাসান সোহানের ক্যামিও ইনিংসে ১৫৮ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে রংপুর। তারপর সাইফ হাসান ও খালেদ আহমেদের চমৎকার বোলিংয়ে ইনিংসের চার বল বাকি থাকতে ১৫০ রানে আমিরাত ক্লাবকে গুটিয়ে দিযেছে তারা। তিন ম্যাচে তৃতীয় জয় তারা পেলো ৮ রানে।
লক্ষ্যে নেমে ১৩তম ওভারে সাইফ হাসানের জোড়া আঘাতে ৮৫ রানে ৬ উইকেট হারায় দুবাই। ওই ওভারে সাকিবকে ৩ রানে সোহানের ক্যাচ বানান রংপুরের স্পিনার।
কিন্তু ডমিনিক ড্রেকস ঝড়ে ম্যাচ বের করে নিয়ে আসে দুবাই। ১৫ ওভারে আর কোনও উইকেট না হারিয়ে ১১৩ রান তোলে তারা। পরের ওভারে বল হাতে নিয়ে বাজিমাত করেন খালেদ। মাত্র ২ রান দেন তিনি, রানআউটে সপ্তম উইকেট পড়ে আমিরাতি ক্লাবের।
খালেদ তার পরের ওভারে ৩ রান দিয়ে নেন রোহান মুস্তাফার উইকেট। শেষ দুই ওভারে লাগতো ২৮ রান। শেষের আগের ওভারে কাইস আহমেদ উইকেট হারানোর আগে দুই ছয় ও এক চারে ব্যবধান হাতের নাগালে আনেন। ১৯ রান আসে আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ওই ওভারে।
শেষ ওভারে লাগতো ৯ রান। তবে দুবাইয়ের হাতে ছিল মাত্র এক উইকেট। দ্বিতীয় বলেই ড্রেকসকে ইব্রাহিম জাদরানের ক্যাচ বানিয়ে জয় নিশ্চিত করেন খালেদ। ১৬ বলে ২২ রান করেন দুবাইয়ের ব্যাটার।
দলটির পক্ষে সেদিকুল্লাহ অটল ৩৮ ও সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তি ২৭ রান করেন।
রংপুরের পক্ষে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন সাইফ। ৩ ওভারে দেন ২০ রান। খালেদ ৩.২ ওভারে ১৪ রান খরচায় নেন ২ উইকেট।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে সৌম্য সরকার ২৯ বলে ৪ ছয়ে ৩৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। তবে রানের গতি সেভাবে ছিল না। ১৫তম ওভারে ৫ উইকেটে ১০৪ রান করা দলটি দেড়শ পার করে ইফতিখার ও সোহানের ব্যাটে।
দুজন ৫৪ রান যোগ করেন। যাতে ১৮ বলে ৩ চার ও ২ ছয়ে ৩৪ রানে অবদান রাখেন সোহান। ৩২ বলে ৪১ রান করে ম্যাচসেরা হন ইফতিখার।
সাকিব এদিন ৪ ওভারে ১৬ রান দিয়ে নেন এক উইকেট। তার বোলিং ফিগার দলের পক্ষে সেরা।