টানা ৪ ম্যাচ পরাজয়ের পর শেষ ম্যাচেও হার এড়াতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাদের শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৩ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ ৫-০ ব্যবধানে জিতেছে অস্ট্রেলিয়া।
১৭১ রানের লক্ষ্যে অজিদের হয়ে সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেছেন মিচেল ওয়েন। ১৭ বলে ৩৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেছেন তিনি। তাছাড়া ক্যামেরন গ্রিন (৩২), টিম ডেভিড (৩০) ও অ্যারন হার্ডি (২৮*) উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। তাতে ১৮ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে অজি দল। ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে এই প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজের সবগুলো ম্যাচ জয়ের কৃতিত্ব গড়েছে তারা।
জয়ের পর অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মিচেল মার্শ জানালেন, এমনটা নিজেও আশা করেননি তিনি, ‘সিরিজের শুরুতে ৫-০ হবে এমনটা আমি নিজেও আশা করিনি। কিন্তু আমরা দারুণ ক্রিকেট খেলেছি। যেটা চতুর্থ ম্যাচের পর আমরা আলোচনা করেছি।’
রেকর্ড গড়ে মার্শ বলেন, ‘আমরা জানতাম আগে কোনও অস্ট্রেলিয়ান দলই সিরিজের সবগুলো ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়তে পারেনি।’
সেন্ট কিটসে টস জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাট করতে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। তার পর অজি বোলিংয়ে ১৯.৪ ওভারে তারা অলআউট হয় ১৭০ রানে। যে স্কোরবোর্ডে বেশিরভাগ অবদান শিমরন হিটমায়ারের। ৩১ বলে ৩ চার ও ৩ ছক্কায় ৫২ রানের ঝড়ো ফিফটি উপহার দেন তিনি। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে তার সঙ্গে অবদান রাখেন শেরফানে রাদারফোর্ডও। তার ১৭ বলের ইনিংসে ছিল ৬ চার ও ১ ছক্কা।
বল হাতে অজিদের হয়ে সেরা বোলার ছিলেন বেন ডারশুইস। ৪১ রানে ৩টি উইকেট নেন তিনি। যার মধ্যে ছিল হেটমায়ারের উইকেট। ৩২ রানে দুটি নিয়েছেন নাথান এলিস।
তার পর অস্ট্রেলিয়াকেও কঠিন বিপদ সামলাতে হয়েছিল। ৬০ রানে হারায় ৪ উইকেট! সেখান থেকে দলকে উদ্ধার করেছেন গ্রিন-ওয়েন জুটি। ২৯ বলে ৬৩ রান যোগ করেন তারা। ওয়েন ছিলেন বিধ্বংসী ভূমিকায়। এই ব্যাটার ১৭ বলে ৩ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৭ রানে ফিরলে ভাঙে জুটি। তার পর দলকে কিছু দূর এগিয়ে ৩২ রানে বিদায় নেন গ্রিন। তার ১৮ বলের ইনিংসে ছিল ৫টি চার। বাকি পথটা সামাল দেন অ্যারন হার্ডি। ২৫ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ২৮ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ১৭ রানে ৩টি উইকেট নেন আকিল হোসেন। দুটি করে নিয়েছেন জেসন হোল্ডার ও আলজারি জোসেফ।