দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে যুব ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর ত্রিদেশীয় সিরিজেও দারুণ হয়েছিল বাংলাদেশের। দক্ষিণ আফ্রিকার পর স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে হারায় তারা। তবে তৃতীয় ম্যাচে আজিজুল হাকিমদের জয়যাত্রা থামলো।
চলতি সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে দারুণ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু এই ম্যাচে ব্যাটারদের ব্যর্থতার মাশুল গুনতে হলো। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৪.৫ ওভারে তারা ১৭৫ রানে অলআউট হয়। জবাবে ৩৬.৫ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৬ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা।
হারারেতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ২২ রানে দুই ওপেনার জাওয়াদ আবরার (৭) ও রিফাত বেগকে (৯) হারায় তারা। আজিজুল ও রিজান হোসেন ৫৭ রানের জুটিতে সেই ধাক্কা সামলে নেন।
রিজান (১৭) ফিরে গেলে আর বড় কোনও জুটি হয়নি। যদিও আজিজুল হাফ সেঞ্চুরি করেন। তার ৮১ বলে ৫৯ রানের ইনিংস ছিল সর্বোচ্চ। অপরাজিত থাকলেও দল সবকটি উইকেট হারানোয় এক রানের জন্য ফিফটি করতে পারেননি কালাম সিদ্দিকী।
জেসন রওলেস সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন। দুটি করেন পান এনতান্দো সনি ও বায়ান্দা মাজোলা।
১৭৬ রানের লক্ষ্য দিয়ে বাংলাদেশ পঞ্চম ওভারে ওপেনিং জুটি ভাঙে। এরপর টপ অর্ডার ব্যাটারদের দৃঢ়তায় বাংলাদেশকে হতাশ করে প্রোটিয়ারা।
মুহাম্মেদ বুলবুলিয়া (৩৯) ও আরমান মানাক দ্বিতীয় উইকেটে ৫৫ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। রওলেসকে নিয়ে ৭২ রানের জুটিতে জয়ের ভিত গড়ে দেন মানাক। ৭৮ বলে ৫৭ রানে থামেন তিনি।
অধিনায়ক রওলেস (৪১) ফিরে যান চল্লিশ পার করেই। ব্যান্ডাইল এমবাথাকে (২) ফিরিয়ে দ্রুত তিন উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। তাতে জয় পেতে সমস্যা হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার।
১৫৯ রানে ৫ উইকেট পড়ার পর ভিহান প্রিটোরিয়াস (২১*) ও কামো ফিরির (৩*) অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ৩৭তম ওভারে জিতে যায় প্রোটিয়ারা।