তিন দিনেই জিম্বাবুয়েকে হারালো নিউজিল্যান্ড

প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়েকে ১৪৯ রানে অলআউট করেই বুলাওয়ে টেস্টের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। দ্বিতীয় ইনিংসে স্বাগতিকরা কতটা প্রতিরোধ গড়তে পারে, সেটার ওপর নির্ভর করছিল এই ম্যাচ কয়দিনে গড়াবে। আরেকটি ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে কোনোরকমে ইনিংস হার এড়াতে পেরেছে জিম্বাবুয়ানরা। নিউজিল্যান্ড ৮ রানের লক্ষ্য পেয়ে ১৪ বল খেলে জিতে গেছে ৯ উইকেটে।

২ উইকেটে ৩১ রানে দিনের খেলা শুরু করে জিম্বাবুয়ে। বড় জুটি গড়ার বিকল্প ছিল না তাদের সামনে। কিন্তু তারা ব্যর্থ। আজ ১৩৪ রানে বাকি ৮ উইকেট হারায় তারা। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৬৫ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ানরা। 

এদিন নাথান স্মিথ অ্যাবডমিনাল ইনজুরিতে খেলতে নামেননি। উইল ও’রোর্কেও বল করেননি। ম্যাট হেনরির চমৎকার সুইং ও সিমে তিন দিনেই ম্যাচ জিতলো নিউজিল্যান্ড। কিউই পেসার দ্বিতীয় ইনিংসে তিনটিসহ ৯ উইকেট নেন।

দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ চার উইকেট নেন অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার।

৫৩ রানে জিম্বাবুয়ে চার উইকেট হারানোর পর শন উইলিয়ামস ও ক্রেইগ আরভিন ৫৭ রানের জুটি গড়েন। উইলিয়ামস ৪৯ রানে আউট হওয়ার পর আবার ধস শুরু হয়। তাতে ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কায় পড়ে স্বাগতিকরা।

শেষ পর্যন্ত তাফাদওয়া সিগা ও ব্লেসিং মুজারাবানির ৩৬ রানের জুটিতে লিড নেয় জিম্বাবুয়ে। ২৭ রান করেন সিগা। ১৯ রান আসে মুজারাবানির ব্যাটে।

চা বিরতির পর লক্ষ্যে নেমে নিউজিল্যান্ড চার রানে ডেভন কনওয়েকে (৪) হারায়।  হেনরি নিকলসের বাউন্ডারিতে ২.২ ওভারে ১ উইকেটে ৮ রান করে কিউইরা।  

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

নিউজিল্যান্ড ৩০৭ (কনওয়ে ৮৮, মিচেল ৮০, মুজারাবানি ৩-৭৩) ও ৮/১ (নিকলস ৪*, কনওয়ে ৪, নিয়ামহুরি ১-৮); জিম্বাবুয়ে ১৪৯ (আরভিন ৩৯, হেনরি ৬-৫৯, স্মিথ ৩-২০) ও ১৬৫ (উইলিয়ামস ৪৯, স্যান্টনার ৪-২৭, ও’রোর্কে ৩-২৮, হেনরি ৩-৫১)

ফল: নিউজিল্যান্ড ৯ উইকেটে জয়ী।