শেষ ওভারে জমে ওঠা ম্যাচের ভাগ্য নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় শেষ বলে। সেই বলে চার মেরে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিকে দুই উইকেটের জয় এনে দিয়েছেন জেসন হোল্ডার। তাতে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে এখন ১-১ সমতা।
ফ্লোরিডায় ম্যাচটা ছিল হোল্ডারের অলরাউন্ড নৈপুণ্যের অনন্য প্রদর্শনী। ১৯ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ক্যারিবীয়দের হয়ে রেকর্ড ৮১ উইকেটের কীর্তি গড়েছেন। পেছনে ফেলেছেন ডোয়াইন ব্রাভোর ৭৮ উইকেট। পরে ম্যাচ জেতাতে ১০ বলে অপরাজিত থাকেন ১৬ রানে।
টানা সপ্তম টি-টোয়েন্টি পরাজয়ের মুখে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে শুরুতে ১৩৪ রানের লক্ষ্য দেয় পাকিস্তান। ক্যারিবিয়ানরা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকলে এক পর্যায়ে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন গুদাকেশ মোটি। কিন্তু ২০ বলে দলের সর্বোচ্চ ২৮ রান করে তিনি ১৭তম ওভারের প্রথম বলে হারিসের রানআউটের শিকার হলে ধাক্কা খায় তারা। ততক্ষণে স্কোর দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ৯৬। তিন বল বাদে ক্যাসি কার্টির ক্যাচও নেন হারিস। তখন চাপ বাড়ে আরও। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওই মুহূর্তে জয়ের জন্য প্রয়োজন আরও ২৪ রান। ঠিক তখন রোমারিও শেফার্ড হাসান আলীর ১৯তম ওভারে একটি ছয় ও একটি চার মারলে ম্যাচটা জমিয়ে শেষ ওভারে প্রবেশ করে তারা। স্কোর ৭ উইকেটে ১২৬। শেষ ওভারেও নাটকীয়তার কমতি ছিল না। হোল্ডার শাহীন শাহ আফ্রিদির বলে একটি রান নিতে পারলেও ১৫ রান করা শেফার্ডকে এলবিডাব্লিউ করেছেন। নতুন ব্যাটার শামার জোসেফ তার পর এক রান নিলে ৩ বলে ক্যারিবিয়ানদের সমীকরণ দাঁড়ায় ৬ রানে। হোল্ডার, জোসেফ তার পর সিঙ্গেল নিয়েছেন। শাহীন আফ্রিদি ওয়াইড দিলে শেষ বলে সমীকরণ দাঁড়ায় এক রানের। যা হোল্ডার বীরত্বের মঞ্চ গড়ে দিয়েছে। ম্যাচসেরাও ছিলেন তিনি।
পাকিস্তানের হয়ে ১৪ রানে তিনটি উইকেট নেন মোহাম্মদ নওয়াজ। ২০ রানে দুটি নিয়েছেন সাইম আইয়ুব।
শুরুতে ব্যাট করা পাকিস্তান ৯ উইকেটে করেছে ১৩৩ রান। ব্যাট হাতে মূল কারিগর ছিলেন হাসান নওয়াজ। ৪টি ছক্কা ও একটি চারে ৪০ রান করেছেন তিনি। অধিনায়ক সালমান আগা একটি ছক্কা ও তিনটি চারে যোগ করেছেন ৩৮ রান।