শ্রীলঙ্কার সাবেক ঘরোয়া ক্রিকেটার সালিয়া সামানকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন। এমিরেটস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) দুর্নীতি-বিরোধী নীতিমালা ভঙ্গের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাকে এই শাস্তি দিয়েছে আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী ট্রাইব্যুনাল।
সামানের এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ থেকে, যেদিন তাকে প্রাথমিকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছিল।
সামানের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে অভিযোগ ওঠে, ২০২১ সালের আবুধাবি টি-১০ লিগ চলাকালে পুনে ডেয়ারডেভিলস ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে থেকে নীতিমালা ভঙ্গ করেছিলেন তিনি। ওই সময় তিনিসহ মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়। এই অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার নাসির হোসেনও। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে এই বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়, যার মেয়াদ শেষ হয়েছে গত এপ্রিলে।
ওই সময় নাসির ও সামানের সঙ্গে অভিযুক্ত করা হয় ডেভিলসের সহমালিক কৃষাণ কুমার চৌধুরী ও পরাগ সাঙভি, ঘরোয়া ক্রিকেটার রিজওয়ান জাভেদ, ব্যাটিং কোচ আশার জাইদি, সহকারী কোচ সানি ধিলন ও টিম ম্যানেজার শাদাব আহমেদকে।
পূর্ণাঙ্গ শুনানি ও লিখিত এবং মৌখিক যুক্তি উপস্থাপনের পর ট্রাইব্যুনাল সামানকে দোষী সাব্যস্ত করেছে ইসিবির দুর্নীতি বিরোধী নীতিমালার তিনটি ধারাতে।
ধারা ২.১.১: ২০২১ সালের আবুধাবি টি-১০ লিগের ম্যাচ বা ম্যাচের অংশ ফিক্সিং, সাজানো বা বেআইনিভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টায় অংশ নেওয়া।
ধারা ২.১.৩: আরেকজন অংশগ্রহণকারীকে দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকাণ্ডে জড়ানোর বিনিময়ে পুরস্কারের প্রস্তাব দেওয়া।
ধারা ২.১.৪: সরাসরি বা পরোক্ষভাবে কোনও অংশগ্রহণকারীকে ধারা ২.১ ভঙ্গ করতে প্রলুব্ধ, প্ররোচিত, নির্দেশ, উৎসাহিত বা সহায়তা করা।
৩৯ বছর বয়সী সামান এরই মধ্যে দুই বছরের শাস্তি কাটিয়ে ফেলেছেন। এই অলরাউ্ন্ডার ১০১টি প্রথম শ্রেণি, ৭৭ লিস্ট ‘এ’ ও ৪৭ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। শেষবার তিনি স্বীকৃত ক্রিকেটে খেলেন ২০২১ সালের মার্চে এসএলসি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে।