লর্ডসে ইতিহাস গড়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটার ম্যাথু ব্রিটজকে। ওয়ানডে ইতিহাসের প্রথম ব্যাটার হিসেবে টানা পাঁচ ইনিংসে ফিফটি বা তার বেশি রান দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করার কীর্তি গড়েছেন তিনি। তার ইতিহাস গড়র দিনে অপেক্ষার অবসান হয়েছে প্রোটিয়াদেরও। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডকে ৫ রানে হারিয়ে ১৯৯৮ সালের পর ইংলিশদের মাটিতে জিতেছে প্রথম ওয়ানডে সিরিজ! প্রোটিয়ারা সিরিজ নিশ্চিত করেছে এক ম্যাচ (২-০) হাতে রেখে।
ব্রিটজকের ৮৫ রানের ইনিংসই ছিল প্রোটিয়াদের ৮ উইকেটে করা ৩৩০ রানের মূল ভিত্তি। জবাবে ইংল্যান্ড হারলেও ম্যাচটা একপেশে ছিল না। ইংলিশরা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছে। শেষ ওভারে তাদের প্রয়োজন ছিল ১৬ রান। স্কোর ছিল ৯ উইকেটে ৩১৩। অপরাজিত ২৭ রানের ইনিংস খেলা জোফরা আর্চার স্পিনার সেনুরান মুথুসামির বলে দুটি চার মারেন, তাতেও অবশ্য জয়ের দেখা পায়নি তারা। ইংল্যান্ড থামে ৯ উইকেটে ৩২৫ রানে। জো রুট ও জস বাটলার দুজনেই ৬১ রান করে বিদায় নিয়েছেন। আরেকটি হাফসেঞ্চুরি আসে জ্যাকব বেথেলের (৫৮) ব্যাট থেকে।
লর্ডসে এই ম্যাচে মোট রান হয়েছে ৬৫৫! যা ওয়ানডেতে লর্ডসের মাঠে সর্বোচ্চ রেকর্ড। দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার নান্দ্রে বার্গার ৬৩ রানে নেন ৩ উইকেট।
মঙ্গলবার লিডসে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ড মাত্র ১৩১ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল এবং ম্যাচ শেষ হয়েছিল ৪৬ ওভারেরও কম সময়ে। তবে এবার ইংল্যান্ড ম্যাচটিকে শেষ পর্যন্ত নিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
টস হেরে ব্যাট করতে নামা প্রোটিয়াদের দারুণ শুরু এনে দিয়েছিলেন এইডেন মারক্রাম ও রায়ান রিকেলটন। ৭৩ রানের ওপেনিং জুটি ভাঙে রিকেলটন (৩৫) বিদায় নিলে। অধিনায়ক বাভুমা (৪) দ্রুত ফিরলে মারক্রামও কাটা পড়েন ৪৯ রানে। তার পর ব্রিটজকে ও ত্রিস্টান স্টাবস (৫৮) ১০১ বলে শতরানের জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নিয়েছেন। দুজনের ব্যাট করার সময় দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ছিল ৯৩-৩। শেষ পর্যন্ত তাদের জুটি দাঁড়ায় ১৪৭ রানে। ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের ২০ বলে করা ৪২ রানের ক্যামিও ইনিংসও পরে স্কোর সমৃদ্ধ করতে ভূমিকা রাখে। ম্যাচসেরা ব্রিটজকের ৭৭ বলের ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ৩টি ছয়।
ইংল্যান্ডের হয়ে ৬২ রানে ৪ উইকেট নেন জোফরা আর্চার।