লঙ্কানদের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রানে গুটিয়ে সিরিজ সমতায় জিম্বাবুয়ে 

হারারেতে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়ের বোলিংয়ে অবিশ্বাস্য ধস দেখেছে শ্রীলঙ্কা। গুটিয়ে গেছে নিজেদের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন মাত্র ৮০ রানে! তাও আবার সেটা হয়েছে ১৮ ওভার (১৭.৪ ওভার) আগে। লঙ্কানদের ব্যর্থতার দিনে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে ৩৪ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটে ম্যাচ জিতেছে। তাতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এখন ১-১ সমতা।  

পাওয়ার প্লেতে ব্লেসিং মুজারাবানি ও ব্র্যাড ইভান্সের বোলিংয়ে শুরুর ৬ ওভারেই কার্যত ছিটকে পড়ে লঙ্কান দল। তখন দলটার স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ৩৭। তার পর আর দাঁড়াতে পারেনি লঙ্কানরা। 

পেসাররা লঙ্কান টপ অর্ডারে ধস নামালে মাঝের ওভারে নিয়ন্ত্রণ নেন অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। চার ওভারের স্পেলে কোনও বাউন্ডারি না দিয়ে বাকি ধস নামান তিনি। তার ঘূর্ণিতে লঙ্কানদের ব্যাটিং সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। ষষ্ঠ উইকেটে ২৬ রানের জুটিতে দলকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন দাসুন শানাকা ও চারিথ আসালাঙ্কা। শানাকাকে (১৫) ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন শন উইলিয়ামস। তার পর রাজার শিকার হন আসালাঙ্কাও (১৮)। নিজের শেষ ওভারে আসালাঙ্কার সঙ্গে চামিরাকে ফিরিয়ে তাদের ইনিংস শেষের পথেও নিয়ে আসেন রাজা। 

৪ ওভারে ১১ রানে সিকান্দার রাজা নেন ৩ উইকেট। ম্যাচসেরাও তিনি। ব্র্যান্ড ইভান্স ১৫ রানে নেন তিনটি। ১৪ রানে দুটি নেন ব্লেসিং মুজারাবানি। একটি নিয়েছেন শন উইলিয়ামস। 

জবাবে ম্যাচে কিছুটা উত্তেজনা ছড়িয়েছিলেন শ্রীলঙ্কান পেসার দুশমন্থ চামিরা। ২৭ রানের মধ্যেই তাদিওয়ানাশে মারুমানি (১৭), শন উইলিয়ামস (০) ও সিকান্দার রাজাকে (২) সাজঘরে পাঠান তিনি। চামিরা চতুর্থ উইকেটও পেতে পারতেন। কিন্তু মুসেকিওয়ার ক্যাচ নিতে ব্যর্থ হন আসালাঙ্কা। শুরুতে চাপে পড়লেও অবশ্য স্বাগতিক দল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারায়নি। মুসেকিওয়া ১২ বলে ২১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ১৫তম ওভারে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। ওই ওভারে শুরুর দুই বলে দুটি চার মারেন তিনি। 

জিম্বাবুয়ের সর্বোচ্চ জুটিটি ছিল ২৬ রানের। চতুর্থ উইকেটে সেটা গড়েন রায়ান বার্ল ও ব্রায়ান বেনেট। বেনেটকে (১৯) বিদায় দিয়ে জুটি ভাঙেন বিনুরা ফার্নান্ডো। বার্ল-মুসেকিওয়া তারপর ২৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন। ২২ বল খেলে বার্ল অপরাজিত থাকেন ২০ রানে। তাতে ছিল ২টি চার।        

লঙ্কানদের হয়ে ১৯ রানে ৩টি উইকেট নেন দুশন্থ চামিরা। একটি করে নেন বিনুরা ফার্নান্ডো ও মাহিশ থিকশানা।