নোয়াখালীকে হ্যাটট্রিক পরাজয়ের স্বাদ দিয়েছে রাজশাহী

নবাগত হলেও চলতি বিপিএলে এখনও জয়ের দেখা পায়নি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। রিপন মণ্ডলের দুর্দান্ত বোলিংয়ে তাদের ৬ উইকেটে হারিয়ে হ্যাটট্রিক পরাজয়ের স্বাদ দিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। টুর্নামেন্টে তিন ম্যাচে এটি রাজশাহীর দ্বিতীয় জয়। 

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নোয়াখালী ৮ উইকেটে তোলে ১২৪ রান। লক্ষ্য তাড়ায় কিছুটা চাপের মুখে পড়লেও ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭.৫ ওভারে জয় নিশ্চিত করে রাজশাহী। 

রাজশাহীর জয়ে বড় ভূমিকা রাখে দুটি অর্ধশতরানের জুটি। একটি ছিল অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসানের। আরেকটি মুশফিকুর রহিম ও ইয়াসির আলীর। 

হাসান মাহমুদের দারুণ এক ডেলিভারিতে দলীয় ২ রানে সাহেবজাদা ফারহান ফিরে গেলে দ্বিতীয় উইকেটে ৬৫ রানের জুটি গড়েন তানজিদ ও শান্ত। এই জুটি রাজশাহীর ইনিংসে কিছুটা স্থিতিশীলতা আনে। যদিও দ্রুত তিন উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফেরে নোয়াখালীও। বিদায় নেন শান্ত (২০ বলে ২৪), তানজিদ (২০ বলে ২৯) ও তালাত (৩)। অষ্টম থেকে একাদশ ওভারের মধ্যে মাত্র ১২ রান দিয়ে রাজশাহীর ওপর চাপ বাড়ায় তারা।

শেষ পর্যন্ত মুশফিকুর ও ইয়াসির পঞ্চম উইকেটে ৫২* রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে নিরাপদে জয়ের পথে নিয়ে যান। মুশফিক ৩০ বলে ২৮* রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন।  ইয়াসির ২৬ বলে অপরাজিত থাকেন ২৩ রানে। 

এর আগে রাজশাহীর বোলাররা শুরু থেকেই ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ নেয়। প্রথম ওভারে তানজিম হাসান ১৮ রান দিলেও দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায় তারা। বিনুরা ফার্নান্দো প্রথম সাফল্য এনে দেন। এরপর নোয়াখালীর মিডল অর্ডার গুঁড়িয়ে দেন রিপন মণ্ডল। ডানহাতি এই পেসার মাত্র ১৩ রানে নেন ক্যারিয়ারসেরা ৪ উইকেট। তানজিম হাসান ৩১ রানে নেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট পান বিনুরা ফার্নান্দো ও হুসেইন তালাত।

ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক হায়দার আলী নোয়াখালীর হয়ে সর্বোচ্চ ২৮ বলে ৩৩ রান করেন। ওপেনার মাজ সাদাকাত (১৯ বলে ২৫) ও মাহিদুল ইসলাম (২৭ বলে ২২) ভালো শুরু পেলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি।