শেষ বলের ছক্কায় দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সিলেট, রংপুরের বিদায়

বিপিএলে লো স্কোরিং এলিমিনেটরে নাটকীয় জয় পেয়েছে সিলেট টাইটান্স। রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে শেষ বলের ছক্কায় রংপুর রাইডার্সকে বিদায় করে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে জায়গা করে নিয়েছে সিলেট। তারা জিতেছে ৩ উইকেটে। 

সিলেটের জয়ের জন্য শেষ বলে প্রয়োজন ছিল ৬ রান। এমন চাপের মুহূর্তে ইংলিশ অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার ক্রিস ওকস ঠাণ্ডা মাথায় ফাহিম আশরাফের করা ওয়াইড ইয়র্কার বল সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেন। তার ছক্কাতেই অবিশ্বাস্য জয় নিশ্চিত করে সিলেট। তার আগে টস হেরে ৯ উইকেট হারিয়ে রংপুর তুলতে পারে ১১১ রান।

শুরুতে রংপুরকে পুরোপুরি চাপে ফেলে দেন সিলেটের পেসাররা। দুর্দান্ত বোলিংয়ে খালেদ আহমেদ ১৪ রানে নেন ৪ উইকেট। ম্যাচসেরাও তিনি।

শুরুতে বল হাতে মঞ্চ গড়ে দেন খালেদ আহমেদ ও ক্রিস ওকস। উল্লেখযোগ্য ইনিংস বলতে মাঝের দিকে খুশদিল শাহর ১৯ বলে ৩০ ও মাহমুদউল্লাহর ২৬ বলে ৩৩ রান। নুরুল হাসানের ব্যাট থেকেও আসে ধীর গতির ১৮। খালেদের ৪ উইকেট ছাড়াও ১৫ রানে দুটি নেন ক্রিস ওকস, ১২ রানে দুটি নেন নাসুম আহমেদও। 

সাধারণ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও স্বস্তিতে ছিল না সিলেট। রংপুরের বোলাররা ম্যাচটিকে রীতিমতো জমিয়ে তোলেন। একপর্যায়ে সিলেটের স্কোর দাঁড়ায় ৪৪ রানে ৪ উইকেট। শেষ ওভারে গিয়ে দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ১০৫।

স্যাম বিলিংসের ২৯ ও মেহেদী হাসান মিরাজের ১৮ রানের ইনিংস দলকে কিছুটা ভরসা দিলেও চাপ অব্যাহত ছিল। সঙ্গে মিরপুরের স্লো উইকেট। সব মিলিয়ে ম্যাচ গড়ায় শেষ বলে। চতুর্থ বলে ফাহিমের শিকার হন মঈন আলী। পঞ্চম বলে আসে একটি রান। শেষ ডেলিভারিতে ওকসের এক ছক্কায় থামে রংপুরের অগ্রযাত্রা। ওকস ৪ বলে এক ছক্কায় ১০ রানে অপরাজিত থাকেন। 

রংপুরের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন মোস্তাফিজুর রহমান ও আলিস আল ইসলাম। একটি করে নেন ফাহিম আশরাফ, নাহিদ রানা ও খুশদিল শাহ।