বাংলাদেশ বিশ্বকাপে না থাকায় ছুটিতে সিমন্স

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের এখন ব্যস্ততা নেই! থাকবে কিভাবে? টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই যে অংশ নেওয়া হচ্ছে না টাইগারদের। এই অবস্থায় হেড কোচ ফিল সিমন্সকে নির্ভার মনে হতেই পারে। ব্যস্ততা থাকলে এখন হয়তো বিশ্বকাপ নিয়েই পড়ে থাকতেন। কিন্তু সেটা হচ্ছে না দেখে অল্প কিছুদিনের ছুটিতে নিজের দেশে ফিরে গেছেন তিনি। 

বাংলাদেশ ছাড়ার আগে ক্রিকবাজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন সিমন্স। সেখানে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এই বলে যে, বাংলাদেশে শিগগিরই আবার পূর্ণমাত্রায় ক্রিকেট ফিরবে। 

সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিজ অলরাউন্ডার টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে বিপিএলের মাঝপথেই বাংলাদেশে এসেছিলেন। লক্ষ্য ছিল এই সময় খেলোয়াড়দের পর্যবেক্ষণ করবেন। সামনে যেহেতু বড় ইভেন্ট। কিন্তু নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতে যেতে না চাওয়ার সিদ্ধান্তে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপেই অংশ নেওয়া হচ্ছে না জাতীয় দলের। তাদের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করেছে আইসিসি।

বুধবার রাতে দেশ ছাড়ার আগে সকালে মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দেখা যায় ফিল সিমন্সকে। সেখানে সেন্টার উইকেট পরিদর্শন করেছেন। আবার বিসিবির কিউরেটর টনি হেমিংয়ের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন তিনি। পরে বিসিবি একাডেমি গ্রাউন্ডে গিয়ে গ্রিনহাউস সুবিধাও ঘুরে দেখেন।

সিমন্স ক্রিকবাজকে নিশ্চিত করেছেন, দলের পরবর্তী সিরিজের আগে আবার বাংলাদেশে ফিরবেন। ফিউচার ট্যুরস প্রোগ্রাম (এফটিপি) অনুযায়ী মার্চে ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ।

সূচি অনুযায়ী, ১২, ১৪ ও ১৬ মার্চ তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। টেস্ট সিরিজটি পরে মে মাসে হবে। পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) কারণে সফরটি দুই ভাগে ভাগ করার প্রস্তাব দিয়েছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

এদিকে, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঘরোয়া ক্রিকেটের সূচি নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। বিসিবির টুর্নামেন্ট কমিটি প্রথমবারের মতো অনূর্ধ্ব-২৩ বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল) নির্বাচনের এক সপ্তাহ পর আয়োজনের পরিকল্পনা করেছিল। চার দলের ওই টুর্নামেন্টের পর এপ্রিলের শুরুতে বিসিএলের চার দিনের আসর আয়োজনের কথা ছিল। কিন্তু টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না থাকায় ফেব্রুয়ারিজুড়ে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা পুরোপুরি ফাঁকা থাকছেন। এই বাস্তবতায় টুর্নামেন্ট সূচি পুনর্বিন্যাসের কথা ভাবছে বিসিবি। সংশোধিত পরিকল্পনায়, নির্বাচনের পরপরই চার দিনের বিসিএল শুরু হতে পারে আর অনূর্ধ্ব-২৩ বিসিএল গড়াতে পারে এপ্রিলে।

ঘরোয়া ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সিমন্স বলেছেন, ‘আমার মনে হয়, বিসিএল নির্বাচন শেষে হবে। আশা করি, তখনই আবার ক্রিকেট শুরু হবে।’