ডাচদের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ে সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখলো যুক্তরাষ্ট্র

টানা দুই হারে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার পথে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। তার ওপর এমন দলের মুখোমুখি, যাদের বিপক্ষে আগের পরিসংখ্যানও ছিল বিপক্ষে। কিন্তু নেদারল্যান্ডসকে টি-টোয়েন্টিতে চতুর্থবারের দেখায় প্রথমবার হারের স্বাদ দিতে পেরেছে তারা। ডাচদের ৯৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে সুপার এইটের সম্ভাবনাও বাঁচিয়ে রেখেছে।

চেন্নাইয়ে শুরুতে সাইতেজা মুক্কামাল্লা ও শুবম রঞ্জানের ঝড়ো ইনিংসে ভর করে ৬ উইকেটে ১৯৬ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ পায় যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে হারমিত সিংয়ের ঘূর্ণি তোপে ৬৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বসে নেদারল্যান্ডস। শেষদিকে ২৮ রানের ব্যবধানে আরও ৫ উইকেট হারিয়ে বড় ব্যবধানে পরাজিত হয় তারা। ১৫.৫ ওভারে ডাচ দল অলআউট হয়েছে ১০৩ রানে। 

টস হেরে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পেয়ে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল যুক্তরাষ্ট্র। ওপেনার শায়ান জাহাঙ্গীর (৩৬) ও মনাঙ্ক প্যাটেল (২০) ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দারুণ সূচনা এনে দেন। এরপর ৫১ বলে ৭৯ রানের দৃষ্টিনন্দন ইনিংসে একটা পর্যায় পর্যন্ত দলকে এগিয়ে নেন মুক্কামাল্লা। ১৭তম ওভারে আউট হন তিনি। মুক্কামাল্লার ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৪টি ছয়। তার ব্যাটিংয়ে একপর্যায়ে রানরেটও স্পর্শ করেছিল ওভারপ্রতি দশের মতো। শেষদিকে রঞ্জানে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে এমন লক্ষ্য দাঁড় করান, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আগে কখনও তাড়া করতে পারেনি নেদারল্যান্ডস। রঞ্জানের ২৪ বলে ৪৮ রানের অপরাজিত ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ২টি ছয়। 

জবাবে শুরু থেকেই চাপে পড়ে নেদারল্যান্ডস। দ্বিতীয় ওভারেই কেনজিগের আঘাতে ধাক্কা খায় তারা। তার পর হারমিত সিং ডাচ ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামিয়েছেন। সর্বোচ্চ ইনিংস বলতে বাস ডি লিডের ২৩। এছাড়া অধিনায়ক স্কট অ্যাডওয়ার্ডস ২০ রান করেন। 

হারমিত ২১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ছিলেন সেরা বোলার। ২১ রানে ৩টি নেন শেডলি ফন শালকভিক। ১৯ রানে দুটি নেন মোহাম্মদ মোহসিন।