নতুন রূপে সাজানো দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে রীতিমত বিধ্বস্ত হয়েছে নিউজিল্যান্ড। তাও আবার ঘরের মাঠে! সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে তাদের ৭ উইকেটে হারিয়েছে প্রোটিয়ারা। মাত্র ৯২ রানের লক্ষ্য ৩ উইকেট হারিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা স্পর্শ করেছে ২০ বল হাতে রেখে।
মাউন্ট মঙ্গানুইয়ের বে ওভালে শুরুতেই দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং তোপে পড়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের রানার্স আপরা। অথচ সেমিফাইনালে এই প্রোটিয়াদেরই তারা হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৩৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তারা। শেষ পর্যন্ত ১৪.৩ ওভারে ৯১ রানে অলআউট হয় তারা। যা টি-টোয়েন্টিতে তাদের দশম সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। ২১ বলে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেছেন জেমস নিশাম। এছাড়া ডাবল ফিগারে রান করেছেন বেভন জ্যাকবস, মিচেল স্যান্টনার ও কোল ম্যাককনচি।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা সহজেই ১৬.৪ ওভারে ৯৩ রান তুলে নেয়। ওপেনার কনর এস্টারহুইজেন ৪৮ বলে অপরাজিত ৪৫ রান করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। তার ইনিংসে ছিল দুটি চার ও দুটি ছয়। নিউজিল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে স্যান্টনারই সবচেয়ে সফল ছিলেন। চার ওভারে মাত্র ৮ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন তিনি। তাছাড়া একটি করে নিয়েছেন কাইল জেমিসন ও জ্যাক ফোকস।
২৪ বছর বয়সী এস্টারহুইজেনসহ চারজন দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার এই ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেক করেন। অন্য তিনজন হলেন রুবিন হারমান, ডিয়ান ফরেস্টার এবং এনকোবানি মোকোয়েনা।
বিশেষ করে কিশোর পেসার মোকোয়েনা বল হাতে দারুণ ছাপ রাখেন। ১৯ বছর বয়সী এই বোলার বে ওভালের অনিয়মিত বাউন্স কাজে লাগিয়ে ৩.৩ ওভারে ২৬ রানে নেন তিন উইকেট। নিউজিল্যান্ডের লেজের দিকের ব্যাটারদের দ্রুত ফিরিয়ে তাদের ১০০ রানের নিচে আটকে রাখতে বড় ভূমিকা রাখেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে পেসার জেরাল্ড কোয়েটজি ও অটনেইল বার্টম্যান দুটি করে উইকেট নেন।