টানা দ্বিতীয় জয়ে সিরিজে এগিয়ে গেলো নিউজিল্যান্ড

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হারের পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে নিউজিল্যান্ড। শুক্রবার অকল্যান্ডে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৮ উইকেটে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে স্বাগতিকরা। 

প্রথম ইনিংসে পেসার লকি ফার্গুসন চার ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে তাদের নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেটে ১৩৬ রানে আটকে রাখতে ভূমিকা রেখেছেন। অথচ ইডেন পার্কের এই মাঠ ছোট হওয়ায় দুইশ প্লাস স্কোরের জন্য তা খুবই পরিচিত! স্কোর বেশি না হওয়ায় ২২ বল হাতে রেখে স্বাগতিকদের জয় নিশ্চিত করতে ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেছেন টম ল্যাথাম। ৫৫ বলে ৭ চার ও ২ ছক্কায় খেলেছেন ৬৩ রানের ইনিংস।

শুরুতে টস জিতে বোলিং নিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। পাওয়ারপ্লেতেই এর সুফল পায় স্বাগতিকরা। ৪১ রানের বিনিময়ে প্রোটিয়াদের ৩ উইকেট তুলে নেয় স্বাগতিক দল। পাওয়ারপ্লের পরের তিন ওভারে আরও দুই উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। যোগ করে মাত্র ৯ রান। 

সফরকারীদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন কিশোর পেসার নকোবানি মোকোয়েনা। ২০ বলে অপরাজিত ২৬* রান করেন। যাতে ছিল তিনটি বিশাল ছক্কা! প্রোটিয়াদের ইনিংসে সর্বোচ্চ স্কোরও এটি!

নিউজিল্যান্ডের হয়ে বেন সিয়ার্স, মিচেল স্যান্টনার ও কাইল জেমিসন দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। কৃপণ বোলিং করেছেন ফার্গুসন।  ৪ ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন তিনি। 

জবাবে ধীরগতিতে ব্যাট করেছে নিউজিল্যান্ড। নতুন বলের সুবিধা কাজে লাগায় দক্ষিণ আফ্রিকার পেসাররা। তাতে সতর্ক হয়ে খেলেন ডেভন কনওয়ে ও ল্যাথাম। পরে ছন্দ খুঁজে পেয়ে প্রথম উইকেট জুটিতে ৯৬ রান যোগ করেন তারা। কনওয়ে ১১তম ওভারে ২৬ বলে ৩৯ রানে ফিরলে ভাঙে শুরুর জুটি। তার ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ২টি ছয়। পরে টিম রবিনসনকে (১৭) নিয়ে দলকে জয়ের কাছে নেন ল্যাথাম। জয়ের কাছে থাকা অবস্থাতেই সাজঘরে ফেরেন রবিনসন। শেষ পর্যন্ত ২ উইকেট হারিয়ে নিউজিল্যান্ড জয় নিশ্চিত করে ১৬.২ ওভারে।