নতুনদের নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় সফল হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। বুধবার সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডকে ৩৩ রানে হারিয়ে সিরিজ ৩-২ ব্যবধানে নিশ্চিত করেছে প্রোটিয়া দল। অথচ গত সপ্তাহে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল নিউজিল্যান্ড!
টস জিতে শুরুতে বোলিং বেছে নেয় নিউজিল্যান্ড। শুরুতে বেঞ্জামিন সিয়ার্স ও জশ ক্লার্কসন ক্যাচ ফেললেও ১১ ওভারে ২ উইকেটে ৭৬ রান তুলে চাপে ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেখান থেকেই ইনিংসের মোড় ঘুরিয়ে দেন কনর এস্টারহুইজেন। ২৪ বছর বয়সী এই ব্যাটার ২৪ বলে ফিফটি পূরণ করেন। শেষ পর্যন্ত স্বাগতিকদের অধিনায়ক জেমস নিশামের হাতে ধরা পড়ার আগে ডিয়ান ফরেস্টারের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে মাত্র ২৭ বলে গড়েন ৬১ রানের জুটি।
সিরিজের শুরুতেই আন্তর্জাতিক অভিষেক হওয়া কনর এস্টারহুইজেন শুরুর ধীরগতি কাটিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসকে গতি এনে দেন। তার ব্যাটে ভর করেই প্রোটিয়ারা তোলে ৪ উইকেটে ১৮৭ রান। এস্টারহুইজেনের ৩৩ বলে ৭৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন। তাতে ছিল ৫টি চার ও ৬টি ছয়। সিরিজ ও ম্যাচসেরা দুটোই হয়েছেন তিনি।
জবাবে জেরাল্ড কোয়েটজে, ভিয়ান মুল্ডার ও অটনিয়েল বার্টম্যানের বোলিং নৈপুণ্য ৮ উইকেটে ১৫৪ রানে কিউইদের রুখে দেয়। তিনজনই দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।
শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউজিল্যান্ড। ওপেনার কেটেন ক্লার্ককে দ্রুতই ফেরান মুল্ডার। এরপর ডেন ক্লিভার (২২), টিম রবিনসন (২৫) ও নিক কেলি (১৪) দ্রুত আউট হয়ে গেলে ১১ ওভারে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৬৯ রান।
নিয়মিত অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনারকে বিশ্রাম দেওয়ায় এবং সহ-অধিনায়ক টম ল্যাথাম ইনজুরিতে পড়ায় নেতৃত্ব দেওয়া নিশাম শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যান। তবে বেভন জ্যাকবসের ১৯ বলে ৩৬ রানের ছোট ইনিংস ছাড়া আর কেউ উল্লেখযোগ্য কিছু করতে না পারায় ধীরে ধীরে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় স্বাগতিকরা।
চলতি মাসের শুরুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে স্বাগতিক ভারতের কাছে পরাজিত নিউজিল্যান্ড আগামী এপ্রিল মাসেই সাদা বলের সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসছে।