ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটের হারের পর স্বাভাবিকভাবেই স্বাগতিকদের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এখনই বড় কোনও পরিবর্তনের পথে হাঁটতে চান না অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড।
প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং-বোলিং, দুই বিভাগেই ছিল হতাশার চিত্র। প্রথম ইনিংসে ১৯৮ রানে অলআউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রান করেন তারা। চতুর্থ দিনে ১ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।
সিরিজ বাঁচানোর জন্য এখন অস্ট্রেলিয়ার সামনে একটাই সমীকরণ— ২২ আগস্ট ম্যাকাইতে শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টে জিততেই হবে। গুরুত্বপূর্ণ সে ম্যাচকে সামনে রেখে ম্যাকডোনাল্ড বলেন, “দলের বয়সের কাঠামো নিয়ে সবসময়ই আলোচনা থাকবে। একটি হার সেই আলোচনাকে আরও জোরালো করে। তবে এই খেলোয়াড়দের সামনে এখনও অনেক ক্রিকেট বাকি। আর বিষয়টি হলো, আমরা কীভাবে এখান থেকে এগিয়ে যাই।”
সিরিজ বাঁচানোর পরিকল্পনা সম্পর্কে অস্ট্রেলিয়া কোচ আরও বলেন, “এখন কীভাবে সামনে এগিয়ে যাবো, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। শেষ পর্যন্ত আমাদের পরবর্তী সিদ্ধান্তটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে— আমরা কী করবো, কীভাবে তাদের প্রস্তুত করবো, পরের ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি নিতে তাদের কতটা বিশ্রামের প্রয়োজন।”
ম্যাকডোনাল্ডের বার্তা পরিষ্কার, এক ম্যাচের ব্যর্থতায় দল ও অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের ওপর আস্থা হারানো নয়, বরং দ্রুত নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে দ্বিতীয় টেস্টে ঘুরে দাঁড়ানোই অস্ট্রেলিয়ার প্রধান লক্ষ্য। তার মতে, পরিবর্তনের দাবি উঠলেও এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পরের ম্যাচের জন্য দলকে সঠিকভাবে প্রস্তুত করা।
ম্যাকডোনাল্ড বলেন, “পরিবর্তনের দাবি তোলা সহজ। আমরা যখন জিতি না, তখন অনেকেই পরিবর্তনের কথা বলেন। এমন পারফরম্যান্সের পর তাদের সেটা বলার অধিকারও আছে। এটাও আমাদের বাস্তবতার অংশ।”
বাংলাদেশের প্রশংসা করে ম্যাকডোনাল্ড বলেন, “আমি মনে করি, তারা (বাংলাদেশ) তাকে (নাথায়ন লায়ন) অসাধারণভাবে খেলেছে। পুরো ব্যাটিং ইউনিটই আমাদের পেসারদের বিপক্ষেও খুব ভালো খেলেছে। তারা বল অনেক দেরিতে খেলেছে, খুব ধৈর্যশীল ও নিয়ন্ত্রিত ছিল। এরপর যখন রান করার সুযোগ পেয়েছে, কিংবা আমরা বেশি ওয়াইড বল করেছি, তখনই তারা আক্রমণ করেছে।”