আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের ছয়ে ওঠাকে ‘বড় অর্জন’ হিসেবে দেখছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। দ্বিতীয় টেস্টে ম্যাকাইতে মাত্র দুই দিনের মধ্যে ইনিংস ও ৫১ রানে হেরে সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করেছে বাংলাদেশ।
আইসিসির হালনাগাদ র্যাঙ্কিংয়ে তিন ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজের প্রথম টেস্টে ডারউইনে ঐতিহাসিক জয়ের সুবাদে ৯ নম্বর থেকে ৬ নম্বরে উঠে এসেছে টাইগাররা। টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে এটাই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অবস্থান। পাশাপাশি নয় দলের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলেও বাংলাদেশ রয়েছে চতুর্থ স্থানে।
র্যাঙ্কিংয়ে ছয়ে ওঠার বিষয়ে শান্ত বলেন, ‘অবশ্যই এটা ভালো খবর। আমি মাত্রই শুনলাম। টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে ছয়ে ওঠা বিশাল অর্জন। তবে এই টেস্টে আমরা আরও ভালো ক্রিকেট খেলতে পারলে আরও ভালো লাগতো।’
২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে এসেছে বাংলাদেশ। এমন কন্ডিশনে অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলা সহজ নয় বলেও মনে করেন শান্ত। তিনি বলেন, ‘আমরা ২৩ বছর পর এখানে এসেছি। এই কন্ডিশনে এই মানের একটি দলের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সহজ নয়। আমরা যদি নিয়মিত এখানে আসতে পারি, তাহলে খেলোয়াড়রা এখানকার পরিবেশে খেলার ধারণা পাবে। অস্ট্রেলিয়ায় খেলার আরও অভিজ্ঞতা হবে। তারা এই ধরনের কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে ভালো ক্রিকেট খেলতে পারবে।’
ডারউইনের তুলনায় ম্যাকাইর উইকেটে বাংলাদেশের ব্যাটারদের জন্য গতি ও বাউন্স ছিল বেশি চ্যালেঞ্জিং। ফলে দুই ইনিংসেই বড় ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ৬৪ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৯৫ রানে অলআউট হয় তারা। ম্যাচে একাই ১০ উইকেট নেন মিচেল স্টার্ক।
অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের টেস্ট খেলার মধ্যে ২৩ বছরের দীর্ঘ বিরতির প্রসঙ্গে শান্ত বলেন, ‘খেলোয়াড়দের জন্য এটা কঠিন। সম্ভবত ৯০ শতাংশ খেলোয়াড়ই এখানে খেলেনি। কীভাবে মানিয়ে নিতে হবে, কীভাবে এই ধরনের কন্ডিশন ও বোলিং আক্রমণ সামলাতে হবে, তারা সেটা জানে না।’
তাই দীর্ঘ বিরতির বদলে নিয়মিত এমন কন্ডিশনে খেলার সুযোগ চান বাংলাদেশ অধিনায়ক। শান্তর ভাষায়, ‘আমার অনুরোধ হলো, আমরা এখানে খেলতে চাই। একই ধরনের কন্ডিশনে নিয়মিত খেলতে চাই, ২৩ বা ২৫ বছর পরপর নয়।’