চারটি ক্যাচ মিসের খেসারত দিয়ে নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ে শেফালি বার্মার ঝোড়ো ৬৪ রানের পর বল হাতে দীপ্তি শর্মার ৩ উইকেট। যা ভারতকে ফাইনালে তুলে দিয়েছে। ১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ ৭ উইকেটে ১০৯ রানেই থেমেছে। ফলে ৪০ রানের জয় নিয়ে ফাইনালের টিকিট কেটেছে ভারত। শুক্রবার পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে জয়ীর বিপক্ষে ফাইনাল খেলবে তারা।
এর আগে কঠিন উইকেটে ভারতের ব্যাটারদের বেশির ভাগ সময়ই চাপে রেখেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেফালিকে বারবার জীবন দেওয়ার মাশুল দিতে হয়েছে। ৪০ বলে তার ৬৪ রানের ইনিংসে এই ওপেনারের তিনটি ক্যাচ ছেড়েছে বাংলাদেশ।
শেফালির এই ইনিংসেই মূলত লড়াই করার মতো স্কোর পায় ভারত। ১৪৯ রান তুলতে গিয়ে ভারত হারায় ৬ উইকেট। বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত হলেও এদিন ফিল্ডিংয়ের ব্যর্থতায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া করে তারা।
সব মিলিয়ে বাংলাদেশের চারটি ক্যাচ মিস না হলে ভারতের রান ১২০ পেরোনোই কঠিন হয়ে যেত।
পাওয়ারপ্লেতে ১ উইকেটে ৪৫ রান তুলে ভালো শুরু করেছিল ভারত। তবে মাঝের ওভারে রান তোলার গতি বাড়াতে পারেনি তারা। ভারতের নতুন তিন নম্বর প্রতিকা রাওয়াল ২৪ বলে ২০ রান করেন। পরে রাবেয়ার শিকার হন তিনি।
রিচা ঘোষ ১৬ বলে ২১ রান করে ভারতের স্কোরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌরও শুরুতে ভুগেছেন। স্পিনে ভালো ব্যাটার হিসেবে পরিচিত হারমানপ্রীত প্রথম ১৬ বলে করতে পারেন মাত্র ৪ রান। শেষ দিকে অবশ্য দুটি ছক্কা মেরে ২৮ বলে অপরাজিত ২৪ রান করেন।
বাংলাদেশের হয়ে ৩০ রানে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নেন সুলতানা খাতুন। একটি করে নেন মারুফা আক্তার, নাহিদা ও রাবেয়া খান।
১৫০ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় রান তোলার গতি বাড়াতে পারেনি তারা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১০৯ রান করে বাংলাদেশ।
ভারতের হয়ে দীপ্তি শর্মা ছিলেন বল হাতে সবচেয়ে সফল। ২৬ রানে তার ৩ উইকেট বাংলাদেশের রান তাড়াকে আরও কঠিন করে দেয়। এছাড়া দুটি নেন নন্দিনি শর্মা। একটি করে নেন শ্রী চরণী ও প্রেমা রাওয়াত।