আর্জেন্টিনার জয়ে যথারীতি উজ্জ্বল অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। এদিন একটি করে গোল ও অ্যাসিস্ট করেছেন ডি মারিয়া ও এভারে বানেগা।
ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লজে ম্যাচের ৩ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। মার্কোস রোহোর পাস থেকে দারুণ শট নিয়েছিলেন মেসির বদলি হিসেবে নামা নিকোলাস গাইতান। তবে তার শটটি বারে লেগে ফিরে আসে। খেলার ৯ মিনিটে গাইতান দারুণ এক পাস দেন ডি মারিয়াকে। কিন্তু বল পোস্টের বাইরে মারেন পিএসজি ফরোয়ার্ড।
আর্জেন্টাইন রক্ষণের ভুলে ২৯ মিনিটে গোলের সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন অ্যালেক্সিস সানচেজ। রক্ষণভাগের খেলোয়াড় ফুনেস মোরি সানচেজকে ব্লক না করে গোলে শট নেওয়ার সুযোগ করে দেন। দুর্দান্ত শটও নিয়েছিলেন সানচেজ। তবে কোনওরকম ঝাপিয়ে আলতো করে হাত ছুঁইয়ে আর্জেন্টিনাকে সে যাত্রায় বাঁচিয়ে দেন গোলরক্ষক রোমেরো।
৩৩ মিনিটে আবারও সানচেজের একটি প্রচেষ্টা রুখে দেন রোমেরো। গোল পোস্টের ৩০ গজ বাইরে থেকে ফ্রি কিক নিয়েছিলে সানচেজ। দারুণ প্লেসমেন্টও করেছিলেন। তবে বলের গতিপথ রুখে দেন রোমেরো।
৪১ মিনিটে আবারও গোলবারের ওপর দিয়ে বল মারেন গাইতান। রোহো ও গাইতান একে অন্যের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ানে মেক্সিকোর রক্ষণে হানা দেন। শেষ পর্যন্ত তার শটটি গোলবারের ওপর দিয়ে গেছে। ফলে ০-০ স্কোর নিয়ে বিরতিতে যায় উভয় দল।
বিরতির পরই যেন অন্য আর্জেন্টিনার দেখা মেলে। ৫০ মিনিটে সমর্থকদের আনন্দে ভাসান পিএসজি ফরোয়ার্ড ডি মারিয়া। মাঝমাঠে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের কাছ থেকে দারুণ দক্ষতায় বল কেড়ে নেন এভার বানেগা। কিছুটা লম্বা পাস বাড়ান ডি মারিয়ার দিকে। গোলপোস্টের কাছকাছি জায়গায় বল পেয়ে যান ডি মারিয়া। সেখান থেকে নিখুঁত শটে জলে বল জড়ান তিনি।
৫৯ মিনিটে ২-০ গোলের লিড নেয় আলবেসিলেস্তরা। আবারও বানেগা-ডি মারিয়া জুটি। তবে এবার গোলদাতা বানেগা। এসিস্ট করেন ডি মারিয়া। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে একটি গোল শোধ করেন চিলির ফ্যাবিয়েন অ্যারিয়েল ফুয়েনজালিদা। ফলে ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা।
/এমআর/