শনিবার মামুনুল ইসলাম, ইয়ামিন মুন্না ও রায়হান হাসানকে নিয়ে মাঠে নেমে প্রথমে গোল করে ভালোই সূচনা করেছিল আবাহনী। কিন্তু ইথিওপিয়ান ফিকরু ও ক্যামেরুনিয়ান ইকাঙ্গার প্রচেষ্টায় ম্যাচে ফিরে আসে শেখ রাসেল। শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে উভয় দল।
খেলার মাত্র ৫ মিনিটে শেখ রাসেলকে চমকে দেয় চট্টগ্রাম আবাহনী। এর উৎস ছিলেন তরুণ ফরোয়ার্ড মো. ইব্রাহিম। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে তিনি একাই ভেদ করেন প্রতিপক্ষ ডিফেন্স। বক্সের বাম প্রান্ত থেকে কোনাকুনি শটে তিনি বল জড়িয়ে দেন জালে।
১৭ মিনিটে আবারও গোলের কাছাকাছি চলে এসেছিল চট্টগ্রাম আবাহনী। আবারও রাসেল ডিফেন্স ভাঙেন ইব্রাহিম। তার মাপা ক্রসে মো. বিপ্লব যে হেডটি করেছিলেন তা ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।
শেখ রাসেল সমতা আনার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ৩০ মিনিটে বক্সের ওপর থেকে জোরালো শট নিয়েছিলেন ক্যামেরুনিয়ান ফরোয়ার্ড জুলিয়াস ইকাঙ্গা। কিন্তু বল সাইড পোস্টে আঘাত করে ফিরে আসে মাঠে।
তবে ৪৪ মিনিটে আর ভুল করেননি ইকাঙ্গা। অধিনায়ক নাসিরুল ইসলাম নাসিরের মাপা ক্রসে হেড করে তিনি পরাস্ত করেন চ্ট্টগ্রাম আবহনী গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানাকে।
দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই আর গোল না খাওয়ার দিকে বেশি মনোনিবেশ করে আর বেছে নেয় কাউন্টার অ্যাটাক নির্ভর কৌশল। ৮২ মিনিটে ইকাঙ্গা একক নৈপুণ্যে বল নিয়ে আবাহনী শিবিরে ঢুকে পড়েন। এবার পেয়ে যান গোলরক্ষক রানাকে। রানা এর অগেও কয়েকবার দলকে বিপদমুক্ত করেন। এবার তিনি ঝাাঁপিয়ে পড়েন ইকাঙ্গার পায়ে, বলের নিয়ন্ত্রণ হারান ক্যামেরুনিয়ান ফরোয়ার্ড।
খেলা শেষের দুই মিনিট আগে আবাহনী উইঙ্গার রুবেল মিয়া নষ্ট করেন দলকে জেতানোর সুযোগ। তিনিও রাসেল গোলরক্ষক লিটনকে একা পেয়েছিলেন তবে তার শটটি পাঞ্চ করে রক্ষা করেন লিটন।
/এমআর/