দুবারই স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে আলবেসিলেস্তদের। ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে জার্মানির কাছে ও গত বছর কোপা আমেরিকায় চিলির কাছে হেরে প্রতিপক্ষের জয় উদযাপন তাকিয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না মেসিদের!
এবার যুক্তরাষ্ট্রে মেসির সামনে শুধু শিরোপা খরা কাটানোর হাতছানি নয় আর্জেন্টিনার 'অল টাইম গ্রেটেস্ট' স্কোরার হওয়ার হাতছানিও রয়েছে।
এবারের কোপা আমেরিকায় আসার আগে মেসি তার গোলের হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছিলেন। পানামার বিপক্ষে ঝড়োগতির হ্যাটট্রিক করে মেসি তার গোলের সংখ্যা নিয়ে গেছেন ৫৩তে। আর মাত্র তিনটি গোল করলেই তিনি ছুঁয়ে ফেলবেন 'বাতিগোল' খ্যাত গাব্রিয়েল বাতিস্তুতার ৫৬ গোলের রেকর্ড।
যদি শিরোপা জিততে হয় কোপায় আরও তিনটি ম্যাচ খেলতে হবে মেসিকে। তার যে বর্তমান ফর্ম তাতে তিনটি গোল তার পা থেকে আশা করা অবাস্তব কিছু নয়।
তবে বাতিস্তুতার চেয়ে মেসি একটি স্থানে পিছিয়ে আছেন, সেটি হলো মেসি ৫৩ গোল করেছেন ১০৯ টি ম্যাচে। যেখানে ৫৬টি গোল করতে বাতিস্তুতা নিয়েছিলেন মাত্র ৭৮ ম্যাচ। হার্নান ক্রেসপো ৩৫, দিয়েগো ম্যারাডোনা ৩৫ ও সার্জিও অ্যাগুয়েরো ৩৩ গোল করে আছেন মেসির পরবর্তী অবস্থানে।
মেসির মাথায় অরেকটি চিন্তাও হয়তো ঘুরপাক খাচ্ছে! আগামী ২৬ জুন কোপা অমেরিকার ফাইনাল। আর এর দুই দিন আগে অর্থ্যাৎ ২৪ জুন মেসির ২৯তম জন্মদিন। পেশাদার ফুটবলে ২৯/৩০ বছর বয়সে শীর্ষ সময় পার করে সূর্য্য প্রায় অস্তায়মান হতে থাকে। এবারের কোপা আমেরিকা তাই মেসির জন্য কী বিশেষ এক উপলক্ষ, সময়ই দেবে তার উত্তর!
ব্যক্তিগত সাফল্যের ভাণ্ডারে মেসির সংযোজন করার মতো কিছুই বাকি নেই। চার বার ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়, লা লিগার, চ্যাম্পিয়ন্স লিগসহ ক্লাব পর্যায়ে এমন কোনও শিরোপা নেই তিনি জিতেননি। আক্ষেপ শুধু আর্জেন্টিনার হয়ে কিছু জেতা হয়নি। অন্তত এবার কোপা জিতে সে আক্ষেপ দূর করতে পারেন মেসি। বিশ্বকাপ তো এখনও অনেক দূরে।
/এমআর/