ফেডারেশন কাপের সেমিতে মুখোমুখি আরামবাগ-বিজেএমসি

ফেডারেশনআগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেল চারটায় ওয়ালটন ফেডারেশন কাপ ফুটবলের প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ ও টিম বিজেএমসি। ১৫ বছর আগে ২০০১ সালে শেষবার ফেডারেশন কাপের ফাইনালে খেলেছিল আরামবাগ। সে তুলনায় বিজেএমসির প্রতীক্ষা খুব বেশিদিনের নয়। ২০১১ সালেই তারা খেলে ঐতিহ্যবাহী এ টুর্নামেন্টটির ফাইনালে। জয়ের জন্য মুখিয়ে আছে দুই দলই। আর প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে জমজমাট এক প্রতিদ্বন্দ্বিতার।

রোড টু সেমিফাইনাল

আরামবাগ-ঢাকা আবাহনীকে ১-০ গোলে, ফেনী সকারের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে কোয়ার্টারে ওঠে। কোয়ার্টার ফাইনালে শেখ জামালের বিপক্ষে নির্ধারিত সময়ে ২-২ গোলে সমতার পর শুটআউটে ৫-৪ গোলে জয় তুলে নেয়।

অন্যদিকে টিম বিজেএমসি-গ্রুপ পর্যায়ে রহমতগঞ্জের বিপক্ষে ১-১ ড্র ও মোহামেডানের বিপক্ষে ২-১ গোলে জয় নিয়ে শেষ এট ওঠে। সেখানে মুক্তিযোদ্ধাকে ১-০ গোলে হারিয়ে সেমিতে উন্নীত হয় তারা।

নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড়

আরামবাগ- কেস্টার একন, জাফর ইকবাল, ইসা ইউসুফ।

টিম বিজেএমসি-স্যামসন ইলিয়াসু, আবদুল্লাহ পারভেজ ও মেহেদি হাসান তপু

সাইফুল বারি টিটু (কোচ আরামবাগ): আমাদের অ্যাপ্রােচে কোনও পরিবর্তন হবে না, আমরা 'কমপ্যাক্ট ডিফেন্স' নিয়ে খেলব। নকআউট ম্যাচে গোল না খাওয়াটাও গুরুত্বপূর্ণ, নিজ রক্ষণ সামলে কাউন্টার অ্যাটাকে যাওয়াটাই আমদের ধারা। এই ধারায় আমরা যখন সাফল্য পেয়েছি, তা অব্যাহত থাকবে। সেমিফাইনালে যখন একটি দল খেলে তখন তাদেরকে দুর্বল ভাবাটা সবচেয়ে বড় বোকামি। বিজেএমসি তাদের যোগ্যতা প্রমাণ করেই সেমিফাইনালে এসেছে। তাদের রয়েছে বেশ কিছু অভিজ্ঞ খেলোয়াড়, বিদেশি খেলোয়াড়রাও ভালো। তাদের হালকাভাবে নেওয়া মানেই বিপদ ডেকে আনা। আমি চাই 'টোটাল টিমওয়ার্ক'।

সাইদুর রহমান-কোচ টিম বিজেএমসি: আমরা আত্মবিশ্বাসী যে আরামবাগকে হারাতে পারবো। এটি অতি-আত্মবিশ্বাস নয় কারণ আমার খেলোয়াড়দের চোখে সাফল্যের ক্ষুধা আছে। তারা ফাইনালে খেলতে চায়। এজন্য তারা তাদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদানে প্রস্তুত। আরামবাগ খুবই ভালো ফুটবল খেলছে, তারা  শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবেই আবির্ভূত হবে। এটি সেমিফাইনাল ম্যাচ, এখানে ভুল করার অবকাশ নেই। আরামবাগের আক্রমণভাগটাই আমার মতে ওদের শক্তিশালী দিক। তবে তিনটি বিভাগেই যথাযথ সমন্বয়ের মাধ্যমে আমরা ম্যাচ জিততে প্রস্তুত।

/এমআর/