সেইন্টফিট বলেন, 'ফুটবল সবসময়ই দলীয় খেলা। বিভিন্ন খেলায় ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে সাফল্য পাওয়া সম্ভব কিন্তু ফুটবলে সেটা সম্ভব নয়। এখানে একে অন্যকে সহায়তা না করলে, একজনের ভুলে আরেকজন এগিয়ে না এলে নানা সমস্যা হয়। ফুটবলে দলীয় ঐক্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যে কারণে মানসিক বন্ধনটাও খুব জরুরি। তাই আমার কাছে ফুটবল শুধু শারীরিক, টেকনিক ও ট্যাকটিসের খেলা নয়, এখানে মনস্তাত্ত্বিক দিকেও অনেক কাজ করতে হয়। যে কারণে আমি এ ব্যাপারে জোর দিচ্ছি।'
দলের সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে কোচ বলেন, 'আমি শুরু থেকেই ফিটনেসের ওপর জোর দিয়েছি। চারদিন অনুশীলনের পর আমি খুশি। খেলোয়াড়দের মধ্যে ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচ জয়ের সংকল্প আছে। ম্যাচ জয়ের জন্য প্রয়োজন দৃঢ় মানসিক ও শারীরিক কাঠামো। খেলোয়াড়ারা এ মুহূর্তে ফিটনেস বিভাগে খুব একটা ভাল অবস্থায় নেই। তবে সামনে যেহেতু তারা লিগ খেলবে তাই ভুটান ম্যাচের জন্য ফিট হয়ে যাবে। একজন খেলোয়াড়ের পূর্ণ ফিটনসে পতে ছয় থেকে সাত সপ্তাহ সময় প্রয়োজন। আমাদের সামনে সে সময় আছে। তবে ইনজুরি হানা দিলে সেরে উঠতে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হতে পারে। আমি আশা করবো বিপিএল ক্লাবগুলোর কোচরা এ ব্যাপারে সচেতন থাকবেন।'
আরও কয়েকজন স্ট্রাইকারকে পর্যবেক্ষণের পরিকল্পনা সেইন্টফিটের। তিনি বলেন, 'আরও কিছু খেলোয়াড়কে দেখার বাকি আছে। শাখাওয়াত রনি ও জাহিদ হাসান এমিলিকে দেখা হয়নি। আমি জানিনা এমিলির অবস্থা কী। তার মধ্যে জাতীয় দলে খেলার মোটিভেশন আছে কিনা দেখতে হবে। সে আগামীতে ক্যাম্পে যোগ দিতে পারে। তখন আমার সামনে আরও বেশি সংখ্যক স্ট্রাইকার থাকবে যাদের মধ্য থেকে আমি যোগ্য একজনকে বেছে নিতে পারবো।'
বাংলাদেশের ফর্মেশন কী হবে এমন প্রশ্নের উত্তরে সেইন্টফিট বলেন, 'কোন ফর্মেশনে দলকে খেলাবো তা ঠিক করিনি। ৩-৫-২ তে খেলিয়েছি, ৪-৪-২ ও ৪-৩-৩ ফর্মেশনেও খেলিয়েছি। কোচ হিসেবে আমি এখানও নতুন। খেলোয়াড়দেও বুঝতে কিছুটা সময় দিতে হবে।'
/এমআর/