খেলার শুরুতে আরামবাগ ও মুক্তিযোদ্ধা উভয় দলই একাধিক আক্রমণ শানালেও পায়নি গোলের দেখা। ২২ মিনিটে মুক্তিযোদ্ধার নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড আহমেদ কোলো মুসার দূর পাল্লার শট আঘাত হানে সাইড পোস্টের ওপরের অংশে। আরামবাগও পেয়েছিল গোল করার সুযোগ ২৯ মিনিটে মিডফিল্ডার মো. আবদুল্লাহর করা ফ্রি-কিক মুক্তিযোদ্ধা গোলরক্ষক মামুস খানের হাত থেকে ফসকে গিয়েছিল। সামনে দাঁড়ানো কেস্টার একন বল পোস্টে ঠেলতে পারেননি।
৩৬ মিনিটে গোলের খরা ভাঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা। বক্সের মাঝে উড়ে আসা একটি ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে হাতে লাগিয়ে ফেলেন মিডফিল্ডার সজিব। রেফারি পেনাল্টি দিতে দেরি করেননি। স্পট কিকে আরামবাগ গোলরক্ষক মিতুল হাসানকে ভুল দিকে ডাইভ দিতে বাধ্য করেন আহমেদ কোলো মুসা। ম্যাচে এগিযে যায় মুক্তিযোদ্ধা।
এ মুসাই ৮০ মিনিটে মুক্তিযোদ্ধার জয় নিশ্চিত করেন। মাঝমাঠ ধেকে উড়ে আসা একটি লং বল তিনি আয়ত্বে নেন আরামবাগ বক্সের বাম প্রান্তে। পায়ের কারূকাজে পরাস্ত করেন আগুয়ান গোলরক্ষক মিটুল হাসান ও একজন ডিফেন্ডারকে। ঠাণ্ডা মাথায় বল ঠেলে দেন জালে। ৮৪ মিনিটে আরামবাগ ডিফেন্সের ভুলে বদলি ফরোয়ার্ড জাভেদ খান করেন তৃতীয় গোলটি।
/আরএম/এমআর/