শুক্রবার ময়মনসিংহের রফিকউদ্দিন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এ খেলায় রাসেল তাদের গোল না করার ব্যর্থতা অব্যাহত রাখে আর টিম বিজেএমসিও বেশ কটি গোলের সুযোগ নষ্ট করলে পয়েন্ট ভাগ করেই মাঠ ছাড়ে দুই দল
শুরু থেকে আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলা শুরু করে টিম বিজেএমসি এবং চাপ সৃষ্টি করে আদায় করে নেয় তিনটি কর্নার। এর ধারাবাহিকতায় ২২ মিনিটে গোলের কাছাকাছি চলে এসেছিল বিজেএমসি। ছোট বক্সের ওপরে একটি লং বল পেয়ে গিয়েছিলেন নাইজেরিয়ান মিডফিল্ডার স্যামসন ইলিয়াসু তবে তার নেওয়া ডান পায়ের জোরালো শটটি ফিস্ট করে দলকে রক্ষা করেন রাসেল গোলরক্ষক জিয়া।
খেলার ধারার অনেকটা বিপরীতেই এগিয়ে যায় রাসেল, বক্সের বাম প্রান্তে ফ্রি-কিক পেয়েছিল রাসেল আর বলটি হাওয়ায় ভাসিয়ে দিয়েছিলেন মিডফিল্ডার মোনায়ম খান রাজু। তার উদ্দেশ্য ছিল ক্যামেরুনিয়ান ফরোয়ার্ড জুলিয়াস ইকাঙ্গা, ইকাঙ্গা বলের গতিপথ সঠিকভাবে আঁচ করতে পেরে এগিয়ে যান এবং হেড করে পরাস্ত করেন বিজেএমসি গোলরক্ষক হিমেলকে।
দ্বিতীয়ার্ধের চার মিনিটে সমতা আনে বিজেএমসি আর এ গোলটি আসে ময়মনসিংহেরই ছেলে জাকির হোসেন জিকুর পা খেকে। বলটি তাকে তৈরি করে দেন ফরোয়ার্ড মেহেদি হাসান তপু, তার ডিফেন্স চেড়া থ্রু পাসে পরাস্ত হয় রাসেল ডিফেন্স। কোনাকুনি দৌড় দেওয়া জিকু ফাঁকা পোস্টে প্লেসিং শটে বল জালে জড়িয়ে দেন।
জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠা শেখ রাসেল ৭৯ ও ৮০ মিনিটে দুটি গোলের সুযোগ পায় আর দুবারই বিজেএমসি গোলরক্ষক হিমেলকে পরাস্ত করতে ব্যর্থ হন সাখাওয়াত হোসেন রনি। আর ৮১ মিনিটে একটি পাল্টা আক্রমণ থেকে রাসেল গোলরক্ষক জিয়াউর রহমানকে একা পেয়েও বল পোস্টের ওপরে তুলে দেন স্যামসন ইলিয়াসু।
/আরএম/এফআইআর/