১৯৮৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকায় এসেছিলেন সদ্য প্রয়াত এই ফিফা সভাপতি। উদ্বোধন করেছিলেন প্রথম পাইওনিয়ার লিগের আসর।
এটি ছিল কোনও ফিফা সভাপতির প্রথম বাংলাদেশ সফর। তিনি দুইদিনের বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন। এর মধ্যে তিনি বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামসহ অন্যান্য ক্রীড়া স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তাকে নিয়ে একটি নৌ-বিহারও আয়োজন করেছিল বাফুফে।
হাভেলাঞ্জের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বাফুফের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট ফুটবল সংগঠক হারুনুর রশিদ। তিনি বলেন, 'হাভেলাঞ্জের মৃত্যতে ফুটবল বিশ্ব হারালো এক কিংবদন্তী সংগঠককে। ফুটবলকে বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন তিনি। আজ বিশ্বে ফুটবলের যে বিস্তৃতি তাতে তার বড় অবদান আছে। ঢাকায় পাইওনিয়ার ফুটবল লিগের উদ্বোধনকালে তিনি এর ব্যাপক প্রশংসা করে বলেছিলেন, বিশ্বেও কোথাও এত দল নিয়ে কোনও লিগ পর্যাযের ফুটবল হয় না। তিনি বলেছিলেন, এটি চালু থাকলে বাংলাদেশে ফুটবলারের অভাব হবে না। আমি তার বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।'
১৯৭৫ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ২৪ বছর তিনি ফিফা সভাপতি ছিলেন। তার সময়ই মূলত আধুনিক ফুটবল ব্যাপক প্রসার লাভ করে। হাভেলাঞ্জ শুধু ফুটবল নয় বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার সময়েই বিশ্বকাপ ফুটবল ১৬ থেকে ৩২ দলে উন্নীত হয়।
/আরএম/এমআর/