অলিম্পিক ফুটবলে স্বর্ণজয়ের আরও কাছাকাছি পৌঁছে গেল ব্রাজিল। বুধবার রাতে মারকানা স্টেডিয়ামে হন্ডুরাসকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে ফাইনালে উঠেছেন নেইমারবাহিনী। এদিন দুটি করে গোল করেছেন নেইমার ও 'নতুন নেইমার' খ্যাত গ্যাব্রিয়েল জেসুস। দুটি গোল করা ছাড়াও সতীর্থদের দিয়ে দুটি গোল করিয়েছেন নেইমার। একটি করে গোল করেছেন মারকুইনহোস ও লুয়ান ভিয়েরা।
খেলার শুরুতেই নেইমারের গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। প্রথম মিনিটে হন্ডুরাসের রক্ষণভাগের খেলোয়াড়ের ভুলে বল পেয়ে যান নেইমার। সেখান থেকে গোল করতে ভুল করেননি এই বার্সা তারকা। খেলা শুরুর মাত্র ১৪ সেকেন্ড গোলটি করে অলিম্পিক রেকর্ড গড়েছেন নেইমার। অলিম্পিকের ইতিহাসের দ্রুততম গোল এটি। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২০ সেকেন্ডে গোল করে এই রেকর্ডের মালিক ছিলেন কানাডার জেনিন বেকি।
খেলার ২৫ মিনিটে দ্বিতীয় গোলের দেখা পায় ব্রাজিল। এবার গোলদাতা সদ্য ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়া গ্যাব্রিয়েল জেসুস। লুয়ান ভিয়েরা লম্বা করে বল বাড়িয়েছিলেন। হন্ডুরাসের গোলরক্ষক পোস্ট ছেড়ে অনেকদূর এগিয়ে এলেও বলের নাগাল পাননি। তাকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন জেসুস। ২-০ গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।
খেলার ৩৫ মিনিটে আবারও জেসুস ম্যাজিক। নেইমারের লম্বা করে বাড়ানো পাস থেকে বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকেন তিনি। এরপর একজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি করেন জেসুস। ৩-০ গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় ব্রাজিল।
বিরতির পর হন্ডুরাসের রক্ষণে আক্রমণের ঝড় বইয়ে দেন নেইমার-জেসুসরা। খেলার ৫০ মিনিটে ডি বক্সের একটি পাস দেন নেইমার। গোলরক্ষককে একা পেয়ে গোল করতে ভুল করেননি প্যারিস সেন্ট জার্মেই-এর হয়ে খেলা ডিফেন্ডার মারকুইনহোস।
খেলার ৭৯ মিনিটে দলের হয়ে পঞ্চম গোলটি করেন লুয়ান ভিয়েরা। দুর্দান্ত এক আক্রমণ থেকে ফিলিপ এন্ডারসনের পাস থেকে গোলটি করেন লুয়ান। খেলার ৮৯ মিনিটে ডি বক্সের ভেতর নেইমারকে ফাউল করে বসেন হন্ডুরাসের এক ডিফেন্ডার। ফলে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। পেনাল্টি কিক থেকে গোল করতে ভুল করেননি নেইমার। শেষ পর্যন্ত ৬-০ গোলের বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল।
/এমআর/