বাংলাদেশের শেষ ম্যাচে প্রতিপক্ষ সংযুক্ত আরব আমিরাত। তারা গ্রুপের দুর্বল দলগুলোর একটি, তাই খুব বেশি বেগ পাওয়ার কথা না সানজিদা-কৃষ্ণাদের। কালই তাই তাদের ও বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণ করার দিন। তিন ম্যাচে নয় পয়েন্ট দুই দলেরই, যে জিতবে সে দল দখল করবে গ্রুপের শীর্ষস্থান। শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ আমিরাত আর তাইপের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ইরান। বাংলাদেশ তাই কিছুটা স্বস্তিদায়ক অবস্থানে, তাইপের বিপক্ষে ড্র করলেও আশাহত হওয়ার কিছু নেই, শেষ ম্যাচে যদি ইরান তাইপেকে হারিয়ে দেয় তবে বাংলাদেশই পাবে শীর্ষস্থান আর তাইপে ইরানকে হারিয়ে দিলে আর আমিরতাকে বাংলাদেশ হারালে দুই দলেরই পয়েন্ট হবে সমান। তখন গোল পার্থক্য হবে শীর্ষ স্থান নির্ধারক। বাংলাদেশ এ পর্যন্ত তিন ম্যাচে গোল করেছে ১৮টি, তাইপে ২১টি। বাংলাদেশ কোনও গোল খায়নি, তাইপে গোল খেয়েছে একটি তাই তাদের গোল পার্থক্য ২০, বাংলাদেশের ১৮। মূল কথা বাংলদেশকে ম্যাচ হারলে চলবে না, ম্যাচ হারলে তাকিয়ে থাকতে হবে তাইপে-ইরান ম্যাচের ফলের দিকে!
এত কিছু চিন্তা করছেন না বাংলাদেশ কোচ গোলম রাব্বানী ছোটন। তার ভাবনায় রয়েছে শুধুই জয়, ‘আমি মেয়েদেরকে বলেছি বাড়তি কোনও চাপ না নিতে, তারা যেন তাদের স্বাভাবিক খেলাটাই খেলে, তাড়াহুড়ো করে সুযোগ নষ্ট করার ক্ষেত্রে সাবধান হতে বলেছি, এটা আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। এ পর্যন্ত তিনটি ম্যাচ খেলে কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য দলও প্রস্তুত।’
তাইপে নিয়ে ছোটনের ভাবনা, ‘তাদের রয়েছে বেশ কয়েকজন স্কিলড খেলোয়াড়, তাছাড়া তারাই একমাত্র দল যারা ঢাকার আবহাওয়ায় কোনও অসুবিধায় পড়েনি। শরীরিক শক্তিও ভালো, অনেক দৌড়িয়ে খেলে, আমাদের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’
তবে একটি ব্যাপারে চিন্তা আছে ছোটনের, ‘তিনটি ম্যাচে বাংলাদেশের ডিফেন্সটা ভালোভাবে পরীক্ষিত হয়নি, এখানে যাতে ডিফেন্ডাররা অতি আত্মবিশ্বাসী বা চাপে ভড়কে না যায়, সে ব্যাপারে কাজ করতে হবে।’
এদিকে তাইপে আজ তাদের শীর্ষ খেলোয়াড়দের বসিয়ে রেখে অনুশীলন করেছে। দুই মিডফিল্ডার ঝেং য়া ঝি ও সু ইউ জুয়ান এবং দুই ফরোয়ার্ড হি জিন রৌ ও ইউ য়া জুয়ান তাদের মূল অস্ত্র।
/আরএম/কেআর/